ডায়েটআইকিউবাইপূনম

Directions

ডায়েটআইকিউবাইপূনম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডায়েটআইকিউবাইপূনম, Nutritionist, 195 sayed abdul rahaman, KOLKATA.

আমি পূনম শ' — ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এবং ডায়েট আইকিউ-র প্রতিষ্ঠাতা।
১৮ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি কাজ করি ডায়াবেটিস, গাট হেলথ, থাইরয়েড, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং মেটাবলিক সমস্যায় ভোগা মানুষদের সাথে।
হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল থেকে গাট হেলথ কোচিং.

Plateau মানে তোমার শরীর তোমাকে ব্যর্থ করছে না। এটা শরীর ঠিক সেটাই করছে যেটা করার জন্য এটা তৈরি — famine মনে করে তার সাথে...
10/09/2026

Plateau মানে তোমার শরীর তোমাকে ব্যর্থ করছে না। এটা শরীর ঠিক সেটাই করছে যেটা করার জন্য এটা তৈরি — famine মনে করে তার সাথে adapt করে বেঁচে থাকা।

বেশিরভাগ মানুষ ওজন কমা আটকে গেলে আরও কম খাওয়া শুরু করেন। মুহূর্তে এটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয় — কম খেয়ে আগে result পেয়েছিলে, তাহলে আরও restriction করলে আরও result পাবে। কিন্তু metabolic দিক থেকে এটা একদম ভুল পদক্ষেপ। এতে যে slowdown তুমি ভাঙতে চাইছ, সেটা আরও গভীর হয়, ঠিক হয় না।

আমার clinical experience বলে, plateau ভাঙে strategic recalibration দিয়ে — macronutrient, ঘুম, স্ট্রেস, আর activity একসাথে সমন্বয় করে — যে restriction ইতিমধ্যে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে তার ওপর আরও restriction চাপিয়ে না।

যদি সব "ঠিক" করেও কয়েক সপ্তাহ ধরে স্কেলে একই সংখ্যায় আটকে থাকো, এটা আরও জোরে চেষ্টা করার বদলে ঠিকভাবে বোঝা দরকার।

DM করো "PLATEAU", তোমার metabolism-এ এখন সম্ভবত কী হচ্ছে, আর আসলে কী পাল্টানো দরকার সেটা বুঝিয়ে দেব।

দুধ কিনছেন... কিন্তু নিশ্চিত তো, সেটা সত্যিই দুধ?কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রে এমন একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যা শুনে আমি সত্যিই ...
03/08/2026

দুধ কিনছেন... কিন্তু নিশ্চিত তো, সেটা সত্যিই দুধ?
কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রে এমন একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যা শুনে আমি সত্যিই হতবাক।
অভিযোগ উঠেছে, Nirma ডিটারজেন্ট, পাম অয়েল এবং আরও কিছু রাসায়নিক মিশিয়ে নকল দুধ তৈরি করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল।
যদি এই অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে এটা শুধু ভেজাল নয়...
এটা আমাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা।
একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আমি একটা কথাই বারবার বলি—
শুধু কী খাচ্ছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়...
আপনি যা খাচ্ছেন, সেটা আসল কি না—সেটা আরও গুরুত্বপূর্ণ।
আজকাল আমরা হাজার হাজার টাকা খরচ করি—
✔️ প্রোটিন পাউডার
✔️ ভিটামিন
✔️ সাপ্লিমেন্ট
কিন্তু একটা প্রশ্ন খুব কম মানুষই করেন...
"আমি যে দুধটা প্রতিদিন বাড়িতে আনছি... সেটা কি সত্যিই খাঁটি?"
দুঃখের বিষয়, ভারতে দুধে ভেজাল নতুন কিছু নয়।
সবচেয়ে বেশি যেগুলো মেশানো হয়—
• পানি (পরিমাণ বাড়ানোর জন্য)
• স্টার্চ (ঘন দেখানোর জন্য)
• ডিটারজেন্ট (ফেনা তৈরি করার জন্য)
• কিছু ক্ষেত্রে ইউরিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক
তাহলে বাড়িতে বসেই কীভাবে একটু সতর্ক হবেন?
১. Water Test
এক ফোঁটা দুধ মসৃণ কাচ বা স্টিলের উপর ফেলুন।
খাঁটি দুধ ধীরে ধীরে গড়ায় এবং একটি সাদা দাগ রেখে যায়।
অতিরিক্ত পানি মেশানো দুধ খুব দ্রুত নেমে যায়।
২. Starch Test
অল্প দুধে ২–৩ ফোঁটা আইডিন দিন।
নীল হয়ে গেলে স্টার্চ থাকার সম্ভাবনা আছে।
৩. ফেনা লক্ষ্য করুন
দুধে স্বাভাবিকভাবেই কিছু ফেনা হয়।
কিন্তু যদি সাবানের মতো ঘন ফেনা অনেকক্ষণ থাকে, তাহলে সতর্ক হোন।
এটি নিশ্চিত প্রমাণ নয়, কিন্তু সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ।
যদি দুধ নিয়ে সন্দেহ হয়—
সেটা খাবেন না।
স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বা FSSAI-এ অভিযোগ করুন।

শেষে একটা প্রশ্ন করতে চাই...
আমরা ক্যালোরি গুনি...
প্রোটিন গুনি...
কিন্তু খাবারটা আসল কি না, সেটা কতজন যাচাই করি?
আপনি কি কখনও ভেজাল দুধ বা অন্য কোনও ভেজাল খাবারের সম্মুখীন হয়েছেন?
কীভাবে বুঝেছিলেন? আর তারপর কী করেছিলেন?
কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতাটা লিখুন। অনেকেই হয়তো আপনার অভিজ্ঞতা থেকে সতর্ক হতে পারবেন।
#ভেজাল_খাবার #দুধ #পুষ্টি #বাংলা #স্বাস্থ্য #খাঁটি_খাবার

৪৩ বছরে আমার কাছে এলেন।"পূনম দিদি সব ঠিকঠাক করছি। কম খাচ্ছি। প্রতিদিন হাঁটছি। ঠিক সময়ে ঘুমাচ্ছি। কিছুই কাজ করছে না।"তিন...
08/06/2026

৪৩ বছরে আমার কাছে এলেন।
"পূনম দিদি সব ঠিকঠাক করছি। কম খাচ্ছি। প্রতিদিন হাঁটছি। ঠিক সময়ে ঘুমাচ্ছি। কিছুই কাজ করছে না।"
তিনি ঠিকই বলেছিলেন।
সব ঠিকঠাক করছিলেন — ২৫ বছরের শরীরের জন্য।
কিন্তু তার শরীর ছিল ৪৩ বছরের।
৪০ এর পরে কী বদলায় —
প্রতি বছর ১% মাংসপেশি কমে।
কম মাংসপেশি মানে কম মেটাবলিজম।
৩০ বছরে যে ডায়েটে ওজন ঠিক ছিল — ৪৩ বছরে সেটায় ওজন বাড়ে।
ইস্ট্রোজেন পরিবর্তন হতে শুরু করে।
পেটে চর্বি দ্রুত জমে।
ঘুম হালকা হয় — কর্টিসল বেশিক্ষণ উঁচুতে থাকে।
তাই যে মহিলা ৪৩ বছরে কম খাচ্ছেন আর বেশি ব্যায়াম করছেন —
নিজের বায়োলজির বিরুদ্ধে লড়ছেন।
৪০ এর পরে আসলে কী কাজ করে —
বেশি প্রোটিন — কম খাবার নয়।
স্ট্রেংথ ট্রেনিং — শুধু হাঁটা নয়।
স্ট্রেস কমানো — শুধু ডায়েট নয়।
ঘুম সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
হরমোনাল অ্যাসেসমেন্ট।
আপনি ডায়েট ব্যর্থ করছেন না।
আপনার ডায়েট আপনার বয়সকে ব্যর্থ করছে।
OVER40 লিখে মেসেজ করুন।
#৪০এরপরওজন #মহিলাদেরস্বাস্থ্য #পূনমশ #নিউট্রিশনিস্ট #কলকাতা #হার্ভার্ড #হরমোনালস্বাস্থ্য

07/06/2026

DM PCOD to learn more.

For years, Rima struggled with PCOD.

Her periods were so irregular that sometimes she would get them only once every 4 to 5 months.

Along with that came excess weight, severe hair fall, low energy, and the frustration of feeling like nothing was working.

When she joined me, we didn't focus on quick fixes or crash diets.

Instead, we focused on understanding her body, improving her nutrition, balancing her meals, supporting her hormones, and building habits she could sustain for life.

Nine months later, the transformation has been incredible.

✅ Periods are now regular
✅ Energy levels have improved significantly
✅ Hair fall has reduced
✅ Weight has come down
✅ Confidence is back

This is why I always say that PCOD is not just about weight loss.

It's about restoring metabolic and hormonal health.

I'm so proud of Rima for showing up consistently, trusting the process, and putting in the work.

And today, she is sharing her journey in her own words. 💚

If you're struggling with PCOD, irregular periods, weight gain, fatigue, or hair fall, please know that there is hope.

The right nutrition and lifestyle support can make a remarkable difference.

HairFall WeightLoss MetabolicHealth DietIQ PoonamShaw NutritionistIndia HormoneBalance GutHealth

প্রতি জানুয়ারিতে। প্রতি গ্রীষ্মে। যতবারই কেউ পেট ফোলা অনুভব করেন।"আমার ডিটক্স দরকার।"আর ডিটক্স টি শিল্প এই একটা বাক্য থ...
06/06/2026

প্রতি জানুয়ারিতে। প্রতি গ্রীষ্মে। যতবারই কেউ পেট ফোলা অনুভব করেন।
"আমার ডিটক্স দরকার।"
আর ডিটক্স টি শিল্প এই একটা বাক্য থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করে।
ক্লিনিক্যাল সত্যিটা হলো —
আপনার শরীর প্রতিদিন নিজেই ডিটক্স করে।
লিভার ক্রমাগত টক্সিন প্রক্রিয়া করে।
কিডনি প্রতি মিনিটে বর্জ্য ফিল্টার করে।
গাট প্রতিদিন বর্জ্য বের করে।
কোনো চা। কোনো জুস ক্লেনজ। কোনো ৭ দিনের ডিটক্স প্রোগ্রাম এটা ত্বরান্বিত করে না।
আসলে কী সাহায্য করে —
পর্যাপ্ত পানি — দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস।
পর্যাপ্ত ফাইবার — শাকসবজি, ডাল, আস্ত শস্য।
৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম।
আল্ট্রা প্রসেসড খাবার কমানো।
প্রতিদিন শরীর নাড়ানো।
এগুলো বিনামূল্যে। এগুলো কাজ করে।
পরের বার ক্লান্ত আর পেট ফোলা লাগলে —
ডিটক্স চা কিনবেন না।
বেশি পানি পান করুন। বেশি ঘুমান। বেশি সবজি খান।
GUT লিখে মেসেজ করুন।
#ডিটক্সমিথ #গাটহেলথ #পূনমশ #নিউট্রিশনিস্ট #কলকাতা #হার্ভার্ড

অনেকেই আমাকে বলেন,"আমার কোলেস্টেরল তো নরমাল। ডাক্তার বলেছেন হার্ট একদম ঠিক আছে।"শুনতে নিশ্চয়ই ভালো লাগে।কিন্তু একটা বিষ...
05/06/2026

অনেকেই আমাকে বলেন,

"আমার কোলেস্টেরল তো নরমাল। ডাক্তার বলেছেন হার্ট একদম ঠিক আছে।"

শুনতে নিশ্চয়ই ভালো লাগে।

কিন্তু একটা বিষয় বেশিরভাগ মানুষ জানেন না।

প্রতি বছর এমন অনেক মানুষ হার্ট অ্যাটাক, স্টেন্ট বা বাইপাস সার্জারির মুখোমুখি হন, যাদের আগে "লো রিস্ক" বলা হয়েছিল।

কেন এমন হয়?

কারণ হার্টের রোগ শুধু কোলেস্টেরলের গল্প নয়।

আপনি যদি সত্যিই আপনার হার্টের ঝুঁকি বুঝতে চান, তাহলে আমি বলব ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে নজর দিন।

❤️ ১. Inflammation (প্রদাহ)

এটাকে ভাবুন আপনার ধমনীর ভেতরে জ্বলতে থাকা এক নীরব আগুন হিসেবে।

হার্টের রোগ শুধু কোলেস্টেরল জমার কারণে হয় না। এর পেছনে দীর্ঘদিনের প্রদাহও বড় ভূমিকা পালন করে।

অনেক সময় কোনো উপসর্গ দেখা দেওয়ার বহু আগেই এই প্রদাহ রক্তনালীর ক্ষতি শুরু করে দেয়।

❤️ ২. Insulin Resistance

এটাই প্রায়শই সবচেয়ে অবহেলিত কারণ।

ডায়াবেটিস ধরা পড়ার অনেক বছর আগেই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স শুরু হতে পারে।

এই সময়ে অতিরিক্ত ইনসুলিন শরীরে প্রদাহ বাড়ায়, রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং ধমনীর মধ্যে প্লাক জমার গতি বাড়িয়ে দেয়।

❤️ ৩. Imaging

রিস্ক ক্যালকুলেটর আপনাকে একটি সম্ভাবনার হিসাব দেয়।

কিন্তু ইমেজিং দেখায় বাস্তব অবস্থা।

CAC (Coronary Artery Calcium Score) বা CCTA-এর মতো পরীক্ষাগুলি আপনার ধমনীর ভেতরে আসলে কী ঘটছে, তার অনেক বেশি স্পষ্ট ছবি দিতে পারে।

শুধু অনুমান নয়, বাস্তব অবস্থা জানার সুযোগ দেয়।

সমস্যা হলো, বেশিরভাগ রুটিন হেলথ চেকআপে কেবল কোলেস্টেরলের রিপোর্টের ওপর জোর দেওয়া হয়।

কিন্তু Inflammation, Insulin Resistance এবং Imaging — এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেক সময় আলোচনার বাইরেই থেকে যায়।

যদি আপনার লক্ষ্য শুধু রোগের চিকিৎসা নয়, বরং রোগ হওয়ার আগেই প্রতিরোধ করা হয়, তাহলে শুধু লিপিড প্রোফাইল দেখেই সন্তুষ্ট থাকবেন না।

আরও গভীরে যান। আরও প্রশ্ন করুন।

কারণ সবচেয়ে ভালো হার্ট অ্যাটাক হলো সেই হার্ট অ্যাটাক, যা কখনোই হয়নি।

💚 Prevention is always better than treatment.

আজ আমি এই পোস্টটি পড়ছেন এমন প্রতিটি HR ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে চাই।আপনাদের Employee Wellness Budget-এর একটি বড় অংশ ...
03/06/2026

আজ আমি এই পোস্টটি পড়ছেন এমন প্রতিটি HR ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে চাই।

আপনাদের Employee Wellness Budget-এর একটি বড় অংশ হয়তো ভুল জায়গায় খরচ হচ্ছে।

জিম মেম্বারশিপ — প্রথম মাসের পর ব্যবহার ১৫%-এরও কম।

যোগা সাবস্ক্রিপশন — ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বন্ধ।

স্টেপ চ্যালেঞ্জ — যারা আগে থেকেই ফিট, তারা ছাড়া প্রায় কেউ অংশ নেয় না।

কিন্তু তারপরও আপনার টিম ক্লান্ত। বারবার অসুস্থ হচ্ছে। বিকেল ৩টায় এনার্জি হারিয়ে ফেলছে। পারফরম্যান্স কমে যাচ্ছে।

কারণ ক্লান্তি, ব্রেন ফগ, কম ইমিউনিটি বা বিকেলের এনার্জি ক্র্যাশ — এগুলো ফিটনেসের সমস্যা নয়।

এগুলো পুষ্টির সমস্যা।

আর কোনো জিম মেম্বারশিপ পুষ্টির সমস্যা সমাধান করতে পারে না।

এই মুহূর্তে আপনার অফিসে আসলে কী ঘটছে জানেন?

আপনার কর্মীরা সকালের ব্যস্ততার কারণে ব্রেকফাস্ট বাদ দিচ্ছেন। দিন শুরু হওয়ার আগেই কর্টিসল বেড়ে যাচ্ছে।

দুপুরের খাবার খাচ্ছেন ইমেইলের উত্তর দিতে দিতে, ডেস্কে বসেই। খাওয়ার সময় অতিরিক্ত স্ট্রেস হজম প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে পুষ্টি শোষণ হয় না, এনার্জিও আসে না।

বিকেল ৩টার দিকে তারা চা আর বিস্কুটের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন। কারণ দুপুরের উচ্চ-কার্ব খাবারের পরে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত নেমে গেছে।

বিকেলের সেই ক্লান্তি অলসতা নয়। এটা শরীরের স্বাভাবিক বায়োলজি।

আবার দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে কেউ রাতের খাবার বাদ দিচ্ছেন, কেউ খুব দেরিতে খাচ্ছেন। ফলে মেটাবলিজম ধীর হচ্ছে, ঘুমের মান খারাপ হচ্ছে, আর পরের দিনের কর্মক্ষমতাও কমে যাচ্ছে।

এই চক্র প্রতিদিন চলতেই থাকে।

ফলাফল?

✔️ Sick Leave বেড়ে যায়
✔️ বিকেলের উৎপাদনশীলতা কমে যায়
✔️ গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয়
✔️ নীরব কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী Burnout তৈরি হয়

এই বছরের শুরুতে আমি TE Connectivity-এর ১০৬ জন কর্মীর জন্য একটি Corporate Wellness Session পরিচালনা করেছি।

ফিডব্যাক ছিল অসাধারণ।

কর্মীরা প্রথমবার বুঝতে পেরেছিলেন কেন তারা প্রতিদিন বিকেলে এনার্জি হারিয়ে ফেলেন।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — তারা এমন কিছু সহজ ও বাস্তবসম্মত Nutrition Tools শিখেছিলেন, যা পরের দিন থেকেই কাজে লাগাতে পেরেছিলেন।

কোনো জিমের প্রয়োজন নেই।
কোনো দামি যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই।

শুধু সঠিক পুষ্টি সম্পর্কিত জ্ঞান, সঠিক উপায়ে উপস্থাপন করা।

যদি আপনার প্রতিষ্ঠান কম এনার্জি, বেশি Sick Leave বা কমে যাওয়া Productivity-এর সমস্যার মুখোমুখি হয়, তাহলে সমাধানটা হয়তো আপনার ভাবনার চেয়েও সহজ।

আমাকে DM করুন অথবা সরাসরি ইমেল করুন।

আমি আপনাকে দেখাতে চাই, একটি সত্যিকারের Corporate Wellness Session কেমন হতে পারে।

— পূনম শ
Senior Clinical Nutritionist | Founder, Diet IQ
Harvard Medical School Certified Gut Health Coach
IDF Certified Diabetes Educator
18 Years Experience | 15,000+ Lives Transformed
Speaker — TE Connectivity 2026

তিন বছর ধরে থাইরয়েডের ওষুধ খাচ্ছেন।তবুও ওজন বাড়ছে।চুল পড়া থামছে না।প্রতিদিন দুপুর বা বিকেল হলেই শরীর ভেঙে পড়ছে।ডাক্ত...
01/06/2026

তিন বছর ধরে থাইরয়েডের ওষুধ খাচ্ছেন।
তবুও ওজন বাড়ছে।
চুল পড়া থামছে না।
প্রতিদিন দুপুর বা বিকেল হলেই শরীর ভেঙে পড়ছে।
ডাক্তার ডোজ বাড়াচ্ছেন, রিপোর্ট দেখছেন — কিন্তু আপনি ভেতর থেকে এখনো আগের মতোই ক্লান্ত।

এই অভিজ্ঞতা অনেক মহিলার কাছেই খুব পরিচিত।
আর এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বেশিরভাগ মানুষকে কখনো বলা হয় না।

থাইরয়েডের ওষুধ শরীরকে প্রয়োজনীয় হরমোন দেয় — সাধারণত T4।
কিন্তু শরীরের কোষগুলো সেই T4-কে সক্রিয় T3-তে রূপান্তর না করলে শরীর পুরো সুবিধা পায় না।

আর এই conversion-এর জন্য শরীরের কিছু নির্দিষ্ট পুষ্টির উপাদান দরকার হয়।

যেমন —
✔️ সেলেনিয়াম
✔️ জিঙ্ক
✔️ আয়রন
✔️ ভিটামিন D
✔️ B12

অনেক সময় ওষুধ ঠিকভাবেই কাজ করছে, কিন্তু শরীরের nutritional environment সেই কাজটাকে সাপোর্ট করছে না।

সম্প্রতি এমনই একজন ক্লায়েন্ট আমার কাছে এসেছিলেন।
তিনি নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছিলেন, তবুও ক্লান্তি, ওজন বাড়া, চুল পড়া — সব চলছিল।

যখন রিপোর্টগুলো একটু গভীরভাবে দেখা হলো, তখন দেখা গেল —
সেলেনিয়াম খুব কম,
B12 deficiency,
আয়রন প্রায় শেষ,
ভিটামিন D মারাত্মকভাবে কম।

অর্থাৎ সমস্যা শুধু থাইরয়েডে ছিল না।
শরীরের পুরো metabolic environment struggle করছিল।

তারপর কয়েক মাস targeted nutrition, gut support, protein balance, micronutrient correction, sleep আর stress management-এর উপর কাজ করা হলো।

আর ধীরে ধীরে পরিবর্তন শুরু হলো।

তিন বছরে প্রথমবার —
✔️ ওজন stable
✔️ এনার্জি better
✔️ চুল পড়া অনেক কম
✔️ brain fog improve
✔️ ডাক্তারের supervision-এ ওষুধের dose adjust করা গেছে

এখানে একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ —
আমি কখনো বলছি না ওষুধ দরকার নেই।

থাইরয়েডের ক্ষেত্রে ওষুধ অনেকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু শুধু ওষুধই পুরো picture নয়।
Nutrition-ও equally important।

কারণ শরীরকে শুধু hormone দেওয়া নয় — সেই hormone-কে কাজ করার মতো environment-ও তৈরি করতে হয়।

THYROID লিখে মেসেজ করুন।

#থাইরয়েড #হাইপোথাইরয়েড #পূনমশ #নিউট্রিশনিস্ট #কলকাতা #হার্ভার্ড #মহিলাদেরস্বাস্থ্য #ওজনকমানো #মেটাবলিকস্বাস্থ্য #হরমোনস্বাস্থ্য #গাটহেলথ

খাবার শুধু ক্যালোরি নয়।এটা প্রভাব ফেলে —মেটাবলিজমহরমোনইমিউনিটিগাট হেলথএবং পুরো শরীরের স্বাস্থ্যে।অথবাপরবর্তী স্বাস্থ্য ...
18/05/2026

খাবার শুধু ক্যালোরি নয়।

এটা প্রভাব ফেলে —
মেটাবলিজম
হরমোন
ইমিউনিটি
গাট হেলথ
এবং পুরো শরীরের স্বাস্থ্যে।

অথবা

পরবর্তী স্বাস্থ্য বিপ্লব
হয়তো শুরু হবে
নিউট্রিশন থেকেই।

মহিলা এবং স্ট্রেস ইটিং বাংলাদেশ ও ভারতের অসংখ্য মহিলারা স্ট্রেস ইটিং করেন।কিন্তু মজার ব্যাপার হলো — আপনার ডায়েটিশিয়ান ...
14/05/2026

মহিলা এবং স্ট্রেস ইটিং

বাংলাদেশ ও ভারতের অসংখ্য মহিলারা স্ট্রেস ইটিং করেন।
কিন্তু মজার ব্যাপার হলো — আপনার ডায়েটিশিয়ান শুধু একটা কথাই বলে,
“কম খাও।”
“কন্ট্রোল করো।”
“ইচ্ছাশক্তি বাড়াও।”

কেউ জিজ্ঞেস করে না —
কেন একজন মহিলা রাত ১১টার পরে হঠাৎ মিষ্টি খুঁজতে থাকেন?
কেন সারাদিন না খেয়ে থাকা মানুষটা সন্ধ্যায় এসে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন?
কেন মন খারাপ, একাকীত্ব, সংসারের চাপ, বাচ্চার দায়িত্ব, সম্পর্কের সমস্যা বা কাজের স্ট্রেসের পরে খাবারই একমাত্র শান্তি মনে হয়?

কারণ এটা শুধু “খাওয়ার লোভ” নয়।
এটা অনেক সময় শরীরের ভেতরের হরমোনাল এবং নিউরোলজিক্যাল রেসপন্স।

দীর্ঘদিন স্ট্রেসে থাকলে শরীরে কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন ক্রমাগত বাড়তে থাকে।
আর এই বাড়তি কর্টিসল শরীরে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।

প্রথমত —
এটা চিনি, ভাজাভুজি এবং বেশি ফ্যাটযুক্ত খাবারের প্রতি ক্ষুধা বাড়ায়।
কারণ এই খাবারগুলো সাময়িকভাবে ডোপামিন বাড়ায়, ফলে মস্তিষ্ক কিছুক্ষণের জন্য “ভালো লাগা” অনুভব করে।

দ্বিতীয়ত —
মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেম ধীরে ধীরে বদলে যায়।
আগে যেটুকু খাবারে তৃপ্তি আসত, এখন সেটা আর আসে না।
তাই আরও বেশি খাবার দরকার হয় একই মানসিক শান্তি পাওয়ার জন্য।

তৃতীয়ত —
কর্টিসল লেপটিন হরমোনের কাজেও সমস্যা করে।
লেপটিন আমাদের মস্তিষ্ককে বলে — “পেট ভরে গেছে।”
কিন্তু যখন এই সিস্টেম ব্যাহত হয়, তখন শরীর ঠিকভাবে বুঝতেই পারে না কখন থামতে হবে।

তাই স্ট্রেস ইটিং অনেক সময় দুর্বলতা নয়।
এটা শরীরের ভেতরে চলতে থাকা হরমোন, ব্রেন এবং ইমোশনের জটিল সংযোগ।

আর এই কারণেই শুধু “কম খাও” বললে কাজ হয় না।

কর্টিসল কমাতে হবে।
শরীরকে সেফ অনুভব করাতে হবে।

✔️ নিয়মিত খাবারের সময়
✔️ প্রতিটা মিল-এ পর্যাপ্ত প্রোটিন
✔️ ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার
✔️ পর্যাপ্ত ঘুম
✔️ সূর্যের আলো
✔️ হালকা হাঁটা বা এক্সারসাইজ
✔️ নিজের জন্য সামান্য সময়

এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই ধীরে ধীরে কর্টিসল কমাতে সাহায্য করে।
আর যখন কর্টিসল কমে, তখন স্ট্রেস ইটিংও ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করে।

নিজেকে দোষ দেবেন না।
আপনার শরীর অনেকদিন ধরে শুধু বাঁচার চেষ্টা করছে।

STRESS লিখে মেসেজ করুন।

#স্ট্রেসইটিং #মহিলাদেরস্বাস্থ্য #পূনমশ #নিউট্রিশনিস্ট #কলকাতা #কর্টিসল #হরমোনালস্বাস্থ্য #ওজনকমানো #মেন্টালহেলথ #নারীদেরস্বাস্থ্য

Address

195 Sayed Abdul Rahaman
Kolkata
700082

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডায়েটআইকিউবাইপূনম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category