Dr Arunava Biswas - Newborn and Child Physician

Dr Arunava Biswas - Newborn and Child Physician Welcome to Dr. Arunava Biswas' Page – trusted tips on child health, newborn care, vaccines, & parenting from a doctor with 15+ years of experience.

Follow for expert advice in English & Bengali. Your child’s health is our priority, every step of the way.

যারা ভাবছেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার কি আদৌ প্রয়োজন আছে ?  এই লেখাটি তাদের জন্য ।- ডাঃ অরুণাভ বিশ্বাস আমরা পোলিওকে ভুলে গেছি।আ...
31/07/2026

যারা ভাবছেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার কি আদৌ প্রয়োজন আছে ?
এই লেখাটি তাদের জন্য ।

- ডাঃ অরুণাভ বিশ্বাস

আমরা পোলিওকে ভুলে গেছি।
আর সেটাই ভ্যাকসিনের সবচেয়ে বড় “অপরাধ”!

একটা সময় ছিল—একটি সুস্থ-স্বাভাবিক শিশু হঠাৎ পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারত।

কেউ আর হাঁটতে পারত না।
কারও হাত-পা অবশ হয়ে যেত।
কেউ কেউ নিজের ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতাটুকুও হারিয়ে ফেলত।

আর তখনকার পৃথিবীতে “Iron Lung” ছিল প্রযুক্তির আশীর্বাদ—এক বিশাল ধাতব যন্ত্রের ভেতর শুয়ে থেকে যেটা কারও হয়ে শ্বাস নিত।

সম্প্রতি মারা গেলেন Martha Ann Lillard—আমেরিকার শেষ জীবিত মানুষ, যিনি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার জন্য Iron Lung-এর ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।

১৯৫৩ সালে পোলিও আক্রান্ত হওয়ার পর, সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল সেই বিশাল যন্ত্রটি।

ভাবুন তো—

আজ আমরা পোলিও নিয়ে কতটা ভয় পাই?

প্রায় একেবারেই না।

আর এখানেই বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় irony।

ভ্যাকসিন এত ভালো কাজ করেছে যে, আমরা রোগটাকেই ভুলে গেছি।

আমরা সেই পৃথিবী দেখিনি যেখানে পোলিওর মৌসুম মানেই ছিল আতঙ্ক।
দেখিনি হাজার হাজার শিশুকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হতে।
দেখিনি বাবা-মায়ের অসহায় মুখ।
দেখিনি সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখতে Iron Lung-এর ভেতর শুইয়ে রাখার নির্মম বাস্তবতা।

তাই আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় বসে কেউ কেউ অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রশ্ন করেন—

“পোলিও তো দেখিই না। তাহলে ভ্যাকসিনের দরকারটা কী?”

অসাধারণ যুক্তি!

আগুন নেভানোর পর বাড়িতে আগুন দেখা যাচ্ছে না—
তাই ফায়ার ব্রিগেডটাই বোধহয় অপ্রয়োজনীয়!

সিটবেল্ট পরে দুর্ঘটনায় বেঁচে গেলেন—
তাই সিটবেল্টের কোনো কাজ নেই!

পোলিও নেই বলেই পোলিও ভ্যাকসিন অপ্রয়োজনীয়—
এই যুক্তিটা অনেকটা মশা না থাকায় মশারি ছিঁড়ে ফেলার মতো।

এটাই ভ্যাকসিনের সাফল্যের অদ্ভুত পরিহাস—

বিজ্ঞান যখন সফল হয়, তার সাফল্যটাই অনেক সময় তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

রোগ কমে যায় → রোগের ভয় কমে যায় → রোগের ইতিহাস ভুলে যায় → তারপর প্রশ্ন ওঠে,
“ভ্যাকসিনটা আদৌ দরকার আছে?”

আর সেই শূন্যস্থানেই ঢুকে পড়ে Facebook University-এর অধ্যাপকরা—
অর্ধসত্য, ভুল তথ্য, ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আর “আমার এক আত্মীয়ের পরিচিত একজন বলেছে…” মার্কা গবেষণা নিয়ে! 🙃

কিন্তু ভ্যাকসিন শুধু একটা ইনজেকশন নয়।

এর পেছনে আছে অসংখ্য শিশুর পক্ষাঘাত, অসহায় পরিবার, মৃত্যু, আজীবনের প্রতিবন্ধকতা—আর সেই বিপর্যয় থেকে শেখা কয়েক দশকের বিজ্ঞান।

Martha Ann Lillard-এর মৃত্যু তাই শুধু একজন মানুষের মৃত্যু নয়।

তাঁর Iron Lung যেন আমাদের শেষবারের মতো মনে করিয়ে দিয়ে গেল—

রোগকে ভুলে যাওয়া যায়।
কিন্তু রোগটা কেন আর দেখা যাচ্ছে না—সেটা ভুলে যাওয়া যায় না।

কারণ ভ্যাকসিনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো—

যে বিপর্যয় থেকে সে আমাদের বাঁচিয়েছে, সেটাকেই একদিন আমাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে শুরু করে।

আর সবচেয়ে বড় irony-টা এখানেই!

ধরুন, পৃথিবীর প্রতিটি শিশু যদি সময়মতো পোলিও টিকা পায় এবং ভাইরাসের সংক্রমণের শৃঙ্খল সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া যায়—একদিন পোলিও পৃথিবী থেকে eradicated হয়ে যেতে পারে।

তারপর?

পোলিও টিকার আর প্রয়োজনই থাকবে না।

ঠিক যেমন smallpox-এর ক্ষেত্রে হয়েছে। বিশ্বব্যাপী ব্যাপক টিকাদান ও নির্মূল কর্মসূচির ফলে ১৯৮০ সালে smallpox-কে পৃথিবী থেকে eradicated ঘোষণা করা হয়। আজ তাই smallpox-এর vaccine দেওয়া হয় না।

এবার একটু মাথা খাটিয়ে ভাবুন—

যে ভ্যাকসিন সফল হয়ে রোগটাকেই পৃথিবী থেকে মুছে দেয়, সেই ভ্যাকসিনের “ব্যবসা” তো একদিন নিজেই শেষ হয়ে যাবে!

অর্থাৎ, ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত সাফল্য হলো—
নিজের প্রয়োজনটাই একদিন শেষ করে দেওয়া।

কী অদ্ভুত “ব্যবসায়িক মডেল”!

আর অন্যদিকে Facebook-এ বসে কিছু তথাকথিত ইয়ে-পাকা “বিশেষজ্ঞ” ঘোষণা করেন—

“ভ্যাকসিন কোম্পানি শুধু টাকা কামানোর জন্য ভ্যাকসিন বানায়!”

বাহ!

যে ব্যবসা সফল হলে তার নিজের পণ্যেরই প্রয়োজন একদিন শেষ হয়ে যেতে পারে, সেটাকেই আমরা নিখাদ ষড়যন্ত্রের প্রমাণ বানিয়ে ফেলি!

আর তখনই প্রশ্নটা একটু উল্টো করে করা দরকার—

প্রমাণ কোথায়? গবেষণা কোথায়? তথ্য কোথায়?

নাকি YouTube/Facebook-এর একটা ভিডিও, “আমার এক পরিচিত ডাক্তার বলেছে” এবং WhatsApp University-এর PhD-ই যথেষ্ট?
- Dr Arunava Biswas, MBBS, PhD
আর “ভ্যাকসিন কোম্পানির স্বার্থ” নিয়ে এত চিন্তা যদি সত্যিই থাকে, তাহলে একই যুক্তিতে প্রশ্ন করুন—

রোগটা পৃথিবী থেকে নির্মূল হয়ে গেলে লাভ কার?

রোগী নেই → চিকিৎসা নেই।
রোগ নেই → ওষুধ নেই।
সংক্রমণ নেই → ভ্যাকসিনেরও একদিন প্রয়োজন নেই।

তাই conspiracy theory ছড়ানোর আগে অন্তত এটুকু বোঝা দরকার—

ভ্যাকসিনের সাফল্যকে ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে প্রমাণ বানানো ইতিহাসের সবচেয়ে হাস্যকর যুক্তিগুলোর একটি।

ভারত পোলিও ইরাডিকেশন এর দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েও এখনও কিছু মানুষের টিকাকরণে অংশগ্রহণ না করার কারণে সফল হতে পারেনি। লক্ষ কোটি টাকার public money দিয়ে পোলিও টিকাকরণ কর্মসূচী বার বার চালিয়ে যেতে হচ্ছে । এই anti-vaccine campaign কারীরা এর জন্য দায় এড়াতে পারে না।

একটু গভীরে গিয়ে ভাবলেই বোঝা যাচ্ছে, “ভ্যাকসিন কোম্পানির মুনাফার স্বার্থ” যদি কেউ দেখছে - সেটা এই ভ্যাকসিন বিরোধী প্রচারকারীরা। এদের কোথায় প্রভাবিত হয়ে যদি কিছু জন ভ্যাকসিন না নেয় - তাহলে রোগ eradicated (নিশ্চিহ্ন) হবে না, বার বার টিকাকরণের প্রয়োজনীয়তা থাকবে। তাই টিকা-বিরোধী প্রচারে funding কীভাবে হতে পারে..... বাকিটা বুঝে নিন।

পোলিওকে আমরা আজ খুব একটা দেখি না।
কারণ পোলিও ভালো হয়ে যায়নি।
কারণ আমরা তাকে থামিয়েছি।

আর সেই সাফল্যকে যদি আমরা ভুলে যাই, তাহলে ইতিহাস আবার আমাদের শেখাতে বসবে—
এইবার আরও নির্মম পরীক্ষার মাধ্যমে।
- Dr Arunava Biswas, MBBS, PhD

28/06/2026

🩸 G6PD Deficiency: প্রতিটি অভিভাবকের যা জানা জরুরি

অনেক শিশুই জন্মগতভাবে G6PD Deficiency নিয়ে জন্মায়। এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়; বরং এটি একটি বংশগত এনজাইমের ঘাটতি।

👉 কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

G6PD এনজাইমের অভাবে কিছু ওষুধ, নির্দিষ্ট খাবার বা সংক্রমণের কারণে হঠাৎ লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যেতে পারে (Hemolysis)। এর ফলে রক্তশূন্যতা, জন্ডিস, এমনকি গুরুতর অসুস্থতাও হতে পারে।

⚠️ যেসব লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন

✅ হঠাৎ খুব ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
✅ চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া
✅ প্রস্রাবের রং চা বা কোকাকোলার মতো গাঢ় হয়ে যাওয়া
✅ অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অবসন্নতা
✅ শ্বাসকষ্ট বা অতিরিক্ত ক্লান্তি

---

🚫 কী কী এড়িয়ে চলবেন?

🍽️ খাবার

❌ ফাভা বিন (Fava Bean/Broad Bean/Bakla Bean)

«মনে রাখবেন: সাধারণ শিম, ভাত, ডাল, মাছ, ডিম, দুধ, ফল ও অধিকাংশ সবজি সাধারণত নিরাপদ।»

🏡 গৃহস্থালির জিনিস

❌ ন্যাফথালিন বল (Mothballs) — কাপড়ের আলমারিতে ব্যবহৃত এই বলের গন্ধ বা সংস্পর্শও ক্ষতিকর হতে পারে।

---

💊 যেসব ওষুধ এড়িয়ে চলা উচিত

⚠️ নিজে থেকে কখনো ওষুধ খাবেন না।

যেসব ওষুধ সাধারণত এড়িয়ে চলতে বলা হয়—

• Primaquine
• Dapsone
• Nitrofurantoin
• Co-trimoxazole / Sulfonamide group
• Nalidixic acid
• Methylene blue
• Rasburicase
• Phenazopyridine

👉 Paracetamol সাধারণত নিরাপদ।
👉 Ibuprofen-ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিরাপদ, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করাই উত্তম।

---

🤒 সংক্রমণকেও অবহেলা করবেন না

অনেক সময় জ্বর বা সংক্রমণই ওষুধের চেয়েও বেশি হিমোলাইসিসের কারণ হতে পারে। তাই জ্বর, ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

---

💉 G6PD Deficiency থাকলে কি টিকা (Vaccination) দেওয়া নিরাপদ?

উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই। ✅

G6PD Deficiency টিকা দেওয়ার কোনো বাধা নয়। বরং নিয়মিত টিকাকরণ শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, আর সংক্রমণই অনেক সময় G6PD রোগীদের মধ্যে হিমোলাইসিস (লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া) ঘটাতে পারে।

✅ G6PD Deficiency থাকলেও নিরাপদ

- জাতীয় টিকাকরণ কর্মসূচির (UIP) সব টিকা
- IAP-এর সুপারিশকৃত সব টিকা
- জন্মের টিকা (BCG, OPV, Hepatitis B)
- Pentavalent, IPV, Rotavirus, PCV
- MMR, Varicella
- Hepatitis A
- Typhoid vaccine
- Influenza vaccine
- HPV vaccine
- COVID-19 vaccine (যেখানে বয়স অনুযায়ী প্রযোজ্য)

💡 টিকা নেওয়ার পর কী করবেন?

✔️ শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখুন।
✔️ জ্বর বা ইনজেকশনের স্থানে ব্যথা/ফুলে যাওয়া হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Paracetamol ব্যবহার করা যেতে পারে।
✔️ কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

📌 মনে রাখবেন

❌ G6PD Deficiency-এর কারণে কোনো টিকা বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সময়মতো টিকা নেওয়া শিশুকে গুরুতর সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখে এবং পরোক্ষভাবে হিমোলাইসিসের ঝুঁকিও কমাতে সাহায্য করে।

👨‍⚕️ আপনার শিশুর G6PD Deficiency থাকলে টিকাকরণের সময় অবশ্যই চিকিৎসককে তা জানান, তবে শুধুমাত্র G6PD Deficiency-এর জন্য টিকা পিছিয়ে দেবেন না।

💚 টিকা দিন, সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিন, শিশুকে সুস্থ রাখুন।

---

🌿 হারবাল বা দেশীয় ওষুধ?

যে কোনো হারবাল, আয়ুর্বেদিক বা অজানা ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

---

💚 সুখবর

সঠিক সচেতনতা, ক্ষতিকর ওষুধ ও খাবার এড়িয়ে চলা এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে G6PD Deficiency থাকা অধিকাংশ শিশুই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপন করতে পারে।

🩺 মনে রাখবেন

✔️ প্রতিবার চিকিৎসক, নার্স বা ফার্মাসিস্টকে জানিয়ে দিন যে শিশুর G6PD Deficiency রয়েছে।
✔️ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ দেবেন না।

📢 সচেতনতা জীবন বাঁচাতে পারে। পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও অভিভাবক এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারেন।

- Dr Arunava Biswas

#

🌈 আসুন, শিশুদের জন্য নিরাপদ দোল উদযাপন করি 🌈হোলি মানেই রঙ, আনন্দ আর উৎসবের উচ্ছ্বাস। কিন্তু আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হব...
03/03/2026

🌈 আসুন, শিশুদের জন্য নিরাপদ দোল উদযাপন করি 🌈

হোলি মানেই রঙ, আনন্দ আর উৎসবের উচ্ছ্বাস। কিন্তু আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে—শিশুদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটু সচেতন হলেই হোলি হতে পারে সুন্দর ও নিরাপদ।

🔹 কেমিক্যালমুক্ত বা হার্বাল রং ব্যবহার করুন – রাসায়নিক রং ত্বক ও চোখের ক্ষতি করতে পারে।

🔹 আগে থেকে তেল বা ময়েশ্চারাইজার লাগান – নারকেল তেল বা লোশন ত্বকে সুরক্ষার স্তর তৈরি করে।

🔹 চোখ রক্ষা করুন – বাচ্চাদের চোখে রং না দিতে শেখান। প্রয়োজনে সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন।

🔹 জলভর্তি বেলুন বা জোরে রং ছোড়া এড়িয়ে চলুন – এতে গুরুতর আঘাত লাগতে পারে।

🔹 পর্যাপ্ত জল পান করান – রোদে খেলাধুলায় ডিহাইড্রেশন হতে পারে।

🔹 ফুলহাতা পোশাক পরান – এতে ত্বকের সংস্পর্শ কম হয়।

🔹 ছোটদের সবসময় নজরে রাখুন – নিরাপদ পরিবেশে খেলছে কি না খেয়াল রাখুন।

🔹 খেলার পর হালকা সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন – জোরে ঘষবেন না, পরে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

⚠️ যদি চোখে তীব্র জ্বালা, শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি বা বমি দেখা যায়, দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আসুন, দোলের আনন্দের রঙে রাঙাই —কিন্তু সচেতনতার সঙ্গে।
সবাইকে জানাই নিরাপদ ও আনন্দময় দোলপূর্ণিমা ও হোলির শুভেচ্ছা। 🌸

ডাঃ অরুণাভ বিশ্বাস

🌈 Let’s Make Holi Safe & Happy for Our Children! 🌈Holi is a festival of colors, joy, and togetherness. But as parents an...
03/03/2026

🌈 Let’s Make Holi Safe & Happy for Our Children! 🌈

Holi is a festival of colors, joy, and togetherness. But as parents and caregivers, our first priority should always be the safety and well-being of our children.
Here are some simple yet important safety tips to ensure a fun and safe Holi for kids:

🔹 Use safe, herbal colors only – Avoid chemical-based colors that can cause skin rashes, eye irritation, or allergies.

🔹 Oil the skin and hair beforehand – Apply coconut oil or moisturizer to create a protective barrier.

🔹 Protect the eyes – Teach children not to rub their eyes. Use clear eyeglasses / sunglasses if possible.

🔹 Avoid water balloons & forceful throwing – These can cause serious injuries. Celebrate gently and respectfully.

🔹 Stay hydrated – Playing in the sun can cause dehydration. Encourage frequent water intake.

🔹 Wear full-sleeve clothes – This reduces direct contact with colors and protects the skin.

🔹 Supervise young children – Ensure they are playing in a safe environment.

🔹 Post-Holi care – Wash with mild soap, avoid harsh scrubbing, and apply soothing moisturizer.

🚨 Seek medical attention immediately if your child develops severe eye pain, breathing difficulty, persistent vomiting, or skin reactions.

Let’s celebrate Holi with colors of happiness, not hospital visits.

Wishing everyone a joyful, safe, and colorful Holi! 🌸🎉
Dr. Arunava Biswas

04/02/2026







🎗️ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস | ৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬সচেতনতা গড়ে তুলি। ক্যান্সার প্রতিরোধ করি। জীবন বাঁচাই।ক্যান্সার সব সময় ভা...
04/02/2026

🎗️ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস | ৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সচেতনতা গড়ে তুলি। ক্যান্সার প্রতিরোধ করি। জীবন বাঁচাই।
ক্যান্সার সব সময় ভাগ্যের লিখন নয়।
কিছু ক্যান্সার প্রতিরোধযোগ্য — এমনকি শুরু হওয়ার আগেই।
🛡️ জেনে রাখুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
✅ হেপাটাইটিস বি (Hep-B) সংক্রমণ থেকে হতে পারে লিভার ক্যান্সার
✅ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) সংক্রমণ থেকে হতে পারে জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical cancer) সহ আরও কিছু ক্যান্সার
💉 Hep-B ও HPV — উভয়ের বিরুদ্ধেই নিরাপদ ও কার্যকর টিকা উপলব্ধ
👉 টিকাকরণ মানেই ক্যান্সার প্রতিরোধ
👉 ভাইরাসে সংক্রমণের আগেই টিকা নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর
👉 শিশু, কিশোর-কিশোরী ও প্রাপ্তবয়স্ক — সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ
টিকাকরণের পাশাপাশি, নিয়মিত স্ক্রিনিং ও আগেভাগে রোগ নির্ণয় ক্যান্সারজনিত মৃত্যু ও ভোগান্তি কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 এই বিশ্ব ক্যান্সার দিবসে আসুন—
ভয় নয়, প্রতিরোধকে বেছে নিই
দেরি নয়, সঠিক সময়ে সচেতন হই
ক্যান্সার প্রতিরোধমূলক টিকা ও স্ক্রিনিং সম্পর্কে পরামর্শের জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

ডা. অরুণাভ বিশ্বাস
MBBS, PGPN, Ph.D.
📞 091533 78453







🎗️ World Cancer Day | 4th February 2026Creating Awareness. Preventing Cancer. Saving Lives.Cancer is not always unavoida...
04/02/2026

🎗️ World Cancer Day | 4th February 2026

Creating Awareness. Preventing Cancer. Saving Lives.

Cancer is not always unavoidable.
Some cancers can be prevented — even before they start.

🛡️ Key facts every family should know:

✅ Hepatitis B (Hep-B) infection can cause liver cancer
✅ Human Papilloma Virus (HPV) infection can cause cervical cancer and other cancers

💉 Effective and safe vaccines are available against both Hep-B and HPV

👉 Vaccination is cancer prevention
👉 Best given before exposure to the virus
👉 Protects children, adolescents, and adults
Along with vaccination, regular screening and early detection play a crucial role in reducing cancer-related suffering and deaths.

📌 On this World Cancer Day, let us move from fear to prevention, and from late diagnosis to timely action.
For guidance on cancer-preventive vaccination and screening, consult your doctor.

Dr. Arunava Biswas
MBBS, PGPN, Ph.D.
📞💬 +91-9153378453






Address

Memari, Bardhaman
Memari
713146

Opening Hours

Monday 10am - 1pm
Thursday 10am - 1pm

Telephone

+919232698538

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Arunava Biswas - Newborn and Child Physician posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Arunava Biswas - Newborn and Child Physician:

Shortcuts

Share