Dr. Ratan Halder MD

Dr. Ratan Halder MD Our aim to make people aware about health related issues and reduce the gap of relationship between patients and doctors.

12/10/2024

#দিন_নামচা

#রোগীর_কৌতুহল

আচ্ছা ডাক্তারবাবু, প্রেসারের জন্য কি ওষুধ খেতেই হবে? শুনেছি, একবার শুরু করলে আর বন্ধ করা যায়না। মৃত্যু পর্যন্ত খেয়ে যেতে হয়। আচ্ছা, আয়ুর্বেদ বা হোমিওপ্যাথি শুরু করলে হয়না? ওতে তো কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

ঠিকই বলেছেন। এবার আপনি শুরু করবেন কি না করবেন, সেটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। তবে একটা গল্প বলি শুনুন। একজন ধন্নন্তরি চিকিৎসকের, যদিও তার চিকিৎসা শাস্ত্রে কোনো পুঁথিগত বিদ্যা ছিলনা। কিন্তু ওনার যা অভিজ্ঞতা ছিল, তাতে উনি অনেক কঠিন কঠিন রোগ নিমেষেই সারিয়ে তুলতেন, Azithromycin দিয়ে। উনি ওনার অভিজ্ঞতায় দেখেছেন মাথা ব্যাথা থেকে শুরু করে পায়ের ব্যাথা সবেতেই Azithromycin অনবদ্য।
তো একদিন এই ধান্নন্তরি বাবু আমার কাছে আসেন। উনি আগে থেকেই হাই- প্রেসারের রোগী, কিন্তূ কোনো ওষুধ খেতেন না। আমি অনেক বেশি প্রেসার পেয়ে একটা মেডিসিন প্রেসক্রাইব করলাম। কিন্তূ উনি ওষুধ টা খাবেন না বললেন এবং বললেন প্রাণায়াম করে প্রেসার টা কমিয়ে নেবেন। উনি তো ধন্নন্তরী ছিলেন, এটাও বললেন, ওনার মৃত্যু পর্যন্ত কোনো প্রেসারের মেডিসিন দরকার হবে না। আশ্চর্য! সত্যিই উনি মৃত্যু পর্যন্ত কোনো প্রেসারের ওষুধ খাননি। এটা আলাদা ব্যাপার, উনি ২ দিন পরে মাথায় রক্ত ক্ষরণ হয়ে মারা গেছিলেন। উনি কিন্তু ধন্নন্তরিছিলেন।
এই গল্প শুনে কেনো জানি না এই রোগী প্রেসারের জন্য ওষুধ খেতে রাজি হয়ে গেলো। সবই ধন্নন্তরি চিকিৎসকের কৃপা।

03/10/2024





ডায়াবেটিস মেলিটাস এ আক্রান্ত ব্যক্তিরা খুব সহজেই ক্লান্তি অনুভব করে।

এই ক্লান্তির কারণগুলো
Endocrine causes:
1. Glycemic related
* রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও বেশি HbA1c
* স্বাভাবিক fasting গ্লুকোজের সাথে খাবারের পরের হাইপারগ্লাইসেমিয়া
* বারবার শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে কমে যাওয়া ( Hypoglycemia)

2. Complications of diabetes
* নেফ্রোপ্যাথি
* হার্ট ফেইলিউর
* মায়োপ্যাথি
* নিউরোপ্যাথি
Concomitant Endocrinopathy:
1. হাইপোথাইরয়ডিজম
2. কুশিংস সিন্ড্রোম
3. হাইপোগোনাডিজম
4. অ্যাডিসন রোগ
Medicine used:
1. দীর্ঘমেয়াদী কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার
2. স্ট্যাটিনস
3. ডায়ুরেটিক্স
4. বিটা ব্লকারস

Non-endocrine causes:
1. Lifestyle related :
* Physical inactivity (শারীরিক পরিশ্রমের অভাব )
* Poor sleep hygiene (খারাপ ঘুমের অভ্যাস )
* অতিরিক্ত ক্যাফেইন, অ্যালকোহল গ্রহণ |
* মাদক সেবন |

2. ডায়েট সম্পর্কিত |
* Extra calorie intake (অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ)
* Excessive calorie restriction (অতিরিক্ত ক্যালরি সীমিতকরণ )
* প্রোটিন অপুষ্টি |
3. অ্যানিমিয়া |
4. ডিসইলেকট্রোলেমিয়া
5. ভিটামিনের অভাব |

মাঝরাতে শ্বাসকষ্টঃ হতে পারে মানসিক সমস্যা**********************সে রাতে এমারজেন্সি ডিউটি করছি। প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে দেখি এ...
18/09/2024

মাঝরাতে শ্বাসকষ্টঃ হতে পারে মানসিক সমস্যা
**********************
সে রাতে এমারজেন্সি ডিউটি করছি। প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে দেখি এক ২২-২৩ বছরের মেয়ে প্রায় হাঁপাতে হাঁপাতে এমারজেন্সিতে ঢুকছে। বুকে হাত দিয়ে জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে। তাকে ঘিরে রয়েছে বাড়ির বেশ কিছু লোকজন। তারাও বেশ চিন্তিত এবং ভয়ার্ত। একেবারে হুলুস্থুল বাধিয়ে তুলেছেন এমারজেন্সিতে। “একটু তাড়াতাড়ি করুন, দেখে যান। “আমি ভিড় ঠেলে সামনে এগিয়ে গেলাম, দেখলাম ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক, হার্ট রেট একটু বেশির দিকে, Pulse Oximetre দিয়ে দেখলাম SpO2 (রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা) স্বাভাবিক রেঞ্জের মধ্যেই আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম- ‘এর আগে কখনও হয়েছে কিনা!’ বলল- ‘এর আগেও দু’একবার হয়েছে’। স্টেথো দিয়ে শুনলাম চেস্ট একদম ক্লিয়ার। আমি জিজ্ঞেস করলাম- ‘বাড়িতে কোনও ঝামেলা হয়েছিল বা কোনও বিষয় নিয়ে চিন্তিত থাকেন?’ সবাই মুখ চাওয়াচাওয়ি করল, কোনও উত্তর দিল না। আমি বললাম- ‘একটা ইসিজি(ECG) করিয়ে নিতে হবে।কিছুক্ষণ পরে ওনারা ইসিজি রিপোর্ট করিয়ে নিয়ে এলো, দেখলাম কোনও খারাপ কিছু নেই। বাড়ির লোকজন বলল-‘মাঝে মাঝে ঠিক হয়ে যায়, তারপর আবার জোরে জোরে শ্বাস নিতে শুরু করে, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।‘ততক্ষনে মেয়েটি একটু ধাতস্থ হয়েছে। শ্বাসকষ্ট একটু কমেছে তবে বুকটা ভারী হয়ে আছে, কিছু যেন চেপে ধরে আছে বলে মনে হচ্ছে।আমি কথাবার্তা শুরু করলাম।ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে আসছে।আগের সেই অস্থির অবস্থাটা নেই।অল্প কথা বলেই বুঝলাম বাড়িতে অনেক দিন ধরেই কিছু বিষয় নিয়ে ঝামেলা চলছে আর একই রকম ঘটনা ৩-৪ বছর আগেও ঘটেছিল,একইরকম।খানিকটা শোনবার পর বুঝলাম স্ট্রেস থেকেই হচ্ছে এরম-এই থেকে থেকে, মাঝে মাঝে শ্বাসকষ্টের মত, যাকে বলে হাইপারভেন্টিলেশান সিনড্রোম(Hyperventilation Syndrome)।একটা ওষুধ দিয়ে বললাম- ‘এখন বাড়ি যান, ঘুমান। কাল এসে ওপিডি তে দেখিয়ে নেবেন।‘
হাইপারভেন্টিলেশান সিনড্রোম কী??
যখন আপনি হঠাৎ করে প্রচণ্ড জোরে জোরে, গভীর কিন্তু খুব দ্রুত শ্বাস নিতে শুরু করেন, বুক অস্বাভাবিক রকমের ভারী হয়ে আসে এবং এই কারণে আপনার শরীরের রক্তে অক্সিজেন(O2) এবং কার্বনডাইঅক্সাইড(Co2) এর মাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হয়-বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রক্তে Co2 পরিমাণ কমে আসতে থাকে।এই শ্বাসকষ্টের সমস্যা বার বার হতে থাকলে তাকে হাইপারভেন্টিলেশান সিনড্রোম বলা হয়।

কেন হাইপারভেন্টিলেশান হয়??
দেখা গেছে অধিকাংশ মানুষের হঠাৎ করে কোনও ‘স্ট্রেস’ বা অত্যাধিক দুশ্চিন্তা জীবনে মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে অনেক মানুষেরই এই ধরনের সমস্যা শুরু হয়।অনেকের ক্ষেত্রে অনেকদিন ধরে চলা স্ট্রেস কিম্বা দীর্ঘকালীন মানসিক সমস্যায় থাকলেও এরকম হতে পারে।শুধুমাত্র যে মানসিক সমস্যার কারনেই এই হাইপারভেন্টিলেশান হয় তা নয়, অনেক শারীরিক সমস্যার কারণেও হতে পারে।যেমন- অত্যাধিক পরিমাণে রক্তপাত,ওষুধের ওভারডোস, হাঁপানির সমস্যা, ফুসফুসে সংক্রমণ, ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস, মাথায় আঘাত লাগা বিভিন্ন কারণে। অনেক সময়েই অ্যাজমা বা হাঁপানির রোগের সাথে একে গুলিয়ে ফেলা হয়।
তাই প্রথমেই কেউ শ্বাসকষ্ট নিয়ে এমারজেন্সিতে এলে তাকে হাইপারভেন্টিলেশান সিনড্রোম না ভেবে, তার যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে,রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা দেখে, বুকে স্টেথো রেখে,ফুসফুসের অবস্থা বুঝে, ECG করে দেখে নেওয়া জরুরি।এগুলো সবগুলই মোটামুটি যদি স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যে থাকলে তখন হাইপারভেন্টিলেশান সিনড্রোম এর কথা ভাবতে হবে।
কি কি লক্ষণ হতে পারে ??

হাইপারভেন্টিলেশানের সময় ব্যক্তি খুব দ্রুত গভীর ভাবে শ্বাস নেবার চেষ্টা করতে থাকে, বারবার করে শ্বাস টানতে থাকে, তাই শ্বাসপ্রশ্বাসের হার বেড়ে যায়। ফলে রক্তে কার্বনডাইঅক্সাইড(Co2) এর মাত্রা কমে যায়। আমাদের রক্তনালিকা গুলো সরু হতে শুরু করে। তাই মাথা ধরা বা ঝিমঝিম করা, চোখে ধোঁয়া ধোঁয়া লাগা, মুখ শুকিয়ে আসা, বুক ভারী হয়ে আসা, হাত পায়ে অসাড়ভাব দেখা দেয়, মাংসপেশি শক্ত হয়ে আসা, খিচুনির মত ভাব আসা এগুলো হয়ে থাকে। অনেকক্ষণ ধরে চললে কেউ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে কিম্বা সামান্য পরিমাণে রক্তের pH এর মান পরিবর্তন হয়ে হতে পারে।
কিছু মানুষের এই হাইপারভেন্টিলেশান শ্বাসকষ্ট সারাজীবনে হয়তো দু-একবার হয়।প্যানিক(Panic) অ্যাটাক, ভয়, কিম্বা প্রচণ্ড স্ট্রেসের সময় এরকম হয়ে থাকে তাদের। অনেকের ক্ষেত্রে আবার হাইপারভেন্টিলেশানে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি। মানসিক অবসাদ, দুশ্চিন্তা, প্রচণ্ড রেগে গেলে কিম্বা পারিবারিক ঝামেলা হলে হাইপারভেন্টিলেশান হতে শুরু করে।
যখন এই হাইপারভেন্টিলেশান অনেকবার হয় তখন তাকে হাইপারভেন্টিলেশান সিনড্রোম বলে।

হাইপারভেন্টিলেশানের চিকিৎসা কী??
হাইপারভেন্টিলেশান অ্যাটাকের সময় একজনের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রস্বাস নিতে অসুবিধা হয়, তিনি অস্থির হয়ে ওঠেন। তাকে তখন শান্ত করাই প্রধান লক্ষ্য।এইসময় রোগী স্বাভাবিকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারেন না।তাই দ্রুত স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস ফিরিয়ে আনাই প্রথম কাজ।
হাইপারভেন্টিলেশানে আক্রান্ত কারও শ্বাসকষ্ট হলে তাকে-
১। বড় মুখ করে শ্বাস নেওয়ার বদলে, ঠোঁট ছোট করে সরু মুখে করে শ্বাস নিতে বলতে হবে।
২। একটা কাগজের ঠোঙ্গা বা ব্যাগে শ্বাস নেওয়া যেতে পারে।
৩। বুকের বদলে, পেট থেকে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করা।
৪। তাকে যতটা সম্ভব মৌখিকভাবে আস্বস্ত করা, ‘হার্ট অ্যাটাক এর মত কিছুই হয়নি’ ‘মরে যাবে না’, ‘এক্ষুনি সব ঠিক হয়ে যাবে’ এগুলো বারবার বলে তাকে একটু সাহস যোগানো।
৫। ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড শ্বাস বন্ধ করে থাকার চেষ্টা করা।
৬। একটি নাসারন্ধ্র বন্ধ করে, অন্য নাসারন্ধ্র দিয়ে শ্বাস নেওয়া।
৭। শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি একটু কমে এলে জগিং করতে বলা বা একটু জোরে হাঁটাহাটি করতে বলা।

কীভাবে একে প্রতিরোধ সম্ভব??

নিজেকে স্ট্রেসমুক্ত রাখাই একে প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। বিভিন্ন রিল্যাক্সেশান থেরাপির মাধ্যমে স্ট্রেস কমিয়ে আনা, যারা দুশ্চিন্তাপ্রবণ তাদের নিজের চিন্তা ও অনুভূতির উপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসার চেষ্টা করা, আগামীদিনে এই হাইপারভেন্টিলেশান আক্রমণ আটকে দিতে পারে।অনেকরকমের ওষুধ যা কিনা দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনে তাদেরকেও ব্যবহার করা যেতে পারে।নিয়মিত ঘুমের অভ্যেস এবং সঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়া সবমিলিয়ে একটি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন এই রোগকে প্রতিরোধ করতে পারে।
মনে রাখতে হবে কেউ ইচ্ছে করে এটি করে না, যতই তার ব্যবহারে অতিনাটকীয়তা থাকুক, তাকে দোষারোপ না করে তাকে আস্বস্ত করা, তাকে ভরসা দেওয়া, নিয়মিত চিকিৎসার মধ্যে থাকার পরামর্শ দিয়ে এই রোগকে সম্পূর্ণভাবে আটকে দেওয়া সম্ভব।

Dr A Sarkar, Psychiatrist

Address

Santipur
741404

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm

Telephone

+917980340133

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ratan Halder MD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ratan Halder MD:

Shortcuts

Share

Category