Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri

Directions

Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri Dr Hira Ghosh B.H.M.S.(WBUHS)

06/09/2026

ভিডিওর মূল বিষয়বস্তু:
পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা হ্রাস: দীর্ঘদিন ধরে অ্যান্টাসিড বা গ্যাসের ওষুধ খেলে পাকস্থলীর স্বাভাবিক অ্যাসিড (হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড) ও এনজাইম নিঃসরণ ব্যাহত হয়। এর ফলে পরিপাকতন্ত্র ওষুধ ছাড়া স্বাভাবিক হজম প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পারে না।
ওষুধের ওপর চরম নির্ভরতা: অ্যান্টাসিড নিয়মিত খেলে একপর্যায়ে শরীর এর ওপর আসক্ত হয়ে পড়ে। ফলে ওষুধ বন্ধ করলেই তীব্র অস্বস্তি ও হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়।
ক্যানসারের ঝুঁকি: ভিডিওতে উপস্থাপিত কেস স্টাডিতে দেখা যায়, ধূমপান বা মদ্যপানের মতো অভ্যাস না থাকা সত্ত্বেও টানা ৩ বছর নিয়মিত গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার ফলে একজন রোগী পাকস্থলীর ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নয়: চিকিৎসকের নির্দিষ্ট মেয়াদের প্রেসক্রিপশন ছাড়া মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর গ্যাসের বড়ি খেয়ে যাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। স্থায়ী সমাধানের জন্য ওষুধের অপব্যবহার বন্ধ করে মূল কারণ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

02/09/2026

🌿 হোমিওপ্যাথি কি সত্যিই ধীরে কাজ করে? জানুন আসল সত্য!
অনেকের মধ্যেই একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা খুব ধীরে কাজ করে। আসলে বিষয়টি নির্ভর করে রোগের ধরনের ওপর:
রোগের ধরন ও সময়: রোগ শরীরে কতটা গভীরে এবং কতদিন ধরে রয়েছে, তার ওপরই নির্ভর করে নিরাময়ের সময়। জ্বর বা তীব্র সমস্যা যেমন ১–২ দিনের মধ্যেই হোমিওপ্যাথি ওষুধে কমে যায়, তেমনি দীর্ঘদিনের পুরনো রোগ (যেমন বহু বছরের হাঁটু বা কোমর ব্যথা) গোড়া থেকে নিরাময় হতে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সময় ও ধৈর্য লাগে।
লক্ষণ চাপা দেওয়া বনাম স্থায়ী নিরাময়: ব্যথানাশক ওষুধ অনেক সময় সাময়িক আরাম দেয়, যা সমস্যার মূল কারণ দূর করে না (যেমন দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা সরিয়ে ফেলার বদলে তা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখার মতো)। অন্যদিকে, সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগের মূল কারণ দূর করে স্থায়ী সমাধান দেয়।
সঠিক পরামর্শ: স্থায়ী আরোগ্যের জন্য হাতুড়ে নয়, সর্বদা একজন যোগ্য ও ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং চিকিৎসায় ধৈর্য রাখা প্রয়োজন।
📞 পরামর্শ বা সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ: 9851713860
ভিডিওটি তথ্যবহুল মনে হলে লাইক ও শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন এবং পেজটি ফলো রাখুন। 🩺✨
#হোমিওপ্যাথি_চিকিৎসা

25/08/2026

🛑 সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও দেখে ভুলেও হোমিওপ্যাথি ওষুধ কিনে খাবেন না!
হোমিওপ্যাথি কোনো 'এক ওষুধে সবার সমাধান' এমন চিকিৎসা নয়। এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তি ও তার শারীরিক-মানসিক লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া কাস্টমাইজড (Customized) চিকিৎসা। ৫ জন মানুষের একই রোগ হলেও লক্ষণভেদে ওষুধ আলাদা হতে পারে।
কোনো ইনফ্লুয়েন্সার বা বিজ্ঞাপনের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক চিকিৎসার জন্য সবসময় রেজিস্টার্ড ও যোগ্যতাসম্পন্ন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের (BHMS/MD) পরামর্শ নিন।
📌 বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং সচেতনতা বাড়াতে শেয়ার করুন।

20/08/2026

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কি , কখন, মানুষ জানুক।

★ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় একসময়ে একটি মাত্র ঔষধ দিতে হবে। যেখানে দেখবেন পাঁচটি ছয়টি ঔষধ মিশিয়ে দিচ্ছে, সে চিকিৎসা আসল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নয়। তারা বুঝতে পারে না কোন ওষুধটি রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তাই দশ রকম মিশিয়ে দেয়, যেটা লাগে লাগুক। যদি কোন একটা লেগেও যায়, অন্যগুলি শরীরের অভ্যন্তরে ক্ষতি করবে, আর্টিফিসিয়াল মেডিসিনাল ডিজিজ অর্থাৎ কৃত্রিম ঔষধজ রোগ তৈরী করবে। এইভাবে চলতে থাকলে দিনের পর দিন আপনার শরীরের ক্ষতি হতে থাকবে।

২) রোগীর কাছ থেকে লক্ষণ ভালো করে না শুনলে সঠিক ঔষধ সিলেকশন সম্ভব নয়, তবে বহু ক্ষেত্রে চিকিৎসক তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার জন্য রোগীর দিকে তাকিয়ে বা দু-চারটি কথা শুনে সঠিক ঔষধ সিলেকশন করতে পারে।

৩) শরীরের কোন অংশের বড় টিউমার, মহিলাদের জরায়ুর বড় টিউমার, ৪০/৪৫ বছরের পরে ব্রেস্টে হওয়া বড় টিউমার, পুরুষদের বড় হাইড্রোসিল, বড় হার্নিয়া, ইত্যাদি হোমিওপ্যাথিক ঔষধে আরোগ্য হয় না।

৪) গলব্লাডারের যে কোন পাথর, এবং কিডনির বড় পাথর হোমিওপ্যাথিক ঔষধে বের করা যায় না। কিডনির ছোট পাথর হোমিওপ্যাথিক ঔষধে বেরিয়ে যায়। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে এক ফর্মুলা চলে না। কারুর কারুর বড় পাথর বেরুতেও দেখা গেছে।

৫) একবারের ঔষধে আমার সেরে গেছে, আমার আমের মতন বা তালের মতন টিউমার একবারের ঔষধে ভ্যানিশ হয়েছে, মাত্র একবারের চিকিৎসায় আমি প্রেগন্যান্ট হয়েছি, ----- সামনে একজনকে দাঁড় করিয়ে বহু চিকিৎসক তাদের মুখ দিয়ে এমন বলাচ্ছে, --- এসব তাদের facebook এবং youtube এর অভিনব কায়দার বিজ্ঞাপন। এসব বিজ্ঞাপনের প্রলোভিত হবেন না। এইসব রোগ কখনো একবারের ঔষধে সারানো যায় না, বহু ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক ঔষধে সারেই না, অপারেশন করতেই হয়। ফেসবুক এবং ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দিতে কোন টাকাপয়সা লাগে না, বিজ্ঞাপনের কোনো সেন্সারশিপ নেই, সেইসব সুযোগগুলি এইসব অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করছে।

অনেকেই বলতে পারেন আপনি যে অনেক কেস দেখান একবারের ঔষধে সেরেছে, বা কেস টেকিংএর সময় বলেন একবার বা দুইবারের ঔষধে সেরে যাবে!

তার উত্তরে জানাই ---রোগ সম্বন্ধে আমার বিশেষ পড়াশোনা থাকায় আমি বুঝতে পারি কোন রোগটি কোন ক্যাটিগরির। রোগ দুই রকমের হয় --১) স্ট্রাকচারাল বা অর্গানিক, বা রিয়েল প্যাথলজিক্যাল, ---অর্থাৎ শরীরের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আক্রমণ করেছে -- এসব রোগে কখনোই এমন কথা বলি না, কখনো বলবোও না, কারণ, এইসব রোগে সময় লাগবেই, বহু ক্ষেত্রে না সারতেও পারে। ২) ফাংশনাল বা সাইকো সোমাটিক রোগ ---রোগীর শরীরের অর্গান বা যন্ত্রপাতি আক্রমিত হয়নি, কোথাও সেইসব অর্গানের বা যন্ত্রপাতির কাজের ডিস্টার্ব হয়েছে, বা ছন্দপতন হয়েছে, বা মানসিক কারণ থেকেই শারীরিক রোগের উৎপত্তি হয়েছে, যে রোগ ফাংশনাল লেভেলে রয়েছে, কোন অর্গান বা যন্ত্রপাতির ক্ষতি করছে না ---সেইসব রোগ আমি ধরতে পেরে বা বুঝতে পেরে দ্রুত আরোগ্য হবে গ্যারান্টি দিই। বিশেষ করে মানসিক সমস্যা জনিত কারণে রোগী যখন মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, যখন একজন চিকিৎসকের এই ভোকাল টনিক তাকে দ্রুত আরোগ্য করতে সাহায্য করে। ঠিক নিউটনের সেই সূত্রের মতন। স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে যদি তাকে বাইরে থেকে ঠেলা না হয়।

৬) ক্যান্সার কোন অবস্থাতেই হোমিওপ্যাথিক ঔষধে আরোগ্য করা যায় না। প্রথম অবস্থাতেই অপারেশন বা রেডিয়েশনের জন্য মডার্ন মেডিসিনের চিকিৎসকদের কাছে পাঠাতে হবে। আমরা শুধু রোগের শেষ পর্যায়ে যখন রোগীর সার্জারি সম্ভব নয়, ক্যান্সার ছড়িয়ে গেছে, কেমোথেরাপিতেও আর কাজ হচ্ছে না, বা রোগী কেমোথেরাপি আর নিতে পারছে না, মডার্ন মেডিসিনের চিকিৎসায় আর কিছু হচ্ছে না, রোগী আসন্ন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছে, তখন তার আয়ু বিলম্বিত করার জন্য, ব্যথাযন্ত্রনাহীনভাবে শান্তিতে রাখার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিতে পারি।

৭) তিনি ধন্বন্তরি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক , তিনি বিশ্ব বরেণ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, এমন কোন উপাধি হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বা বা হোমিওপ্যাথি পরিচালিত কাউন্সিল বা বোর্ড বা কমিশন থেকে দেওয়া হয় না, এগুলি কিছু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের স্বঘোষিত প্রচার।

19/08/2026

১. অ্যালোপ্যাথি ও আধুনিক বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা: অনেক ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক বা মানসিক নানা সমস্যা (যেমন: স্মৃতিভ্রম, তীব্র মাথাব্যথা বা পেটব্যথা) থাকলেও আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা (যেমন: CT Scan, MRI)-তে রিপোর্ট সম্পূর্ণ 'স্বাভাবিক' বা নরমাল আসে। এমন পরিস্থিতিতে রোগ নির্ণয় করতে না পেরে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক সময় ব্যর্থ হয়ে পড়ে বা রোগীকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের (Psychiatrist) কাছে পাঠিয়ে দেয়।
২. হোমিওপ্যাথির গুরুত্ব ও কার্যকারিতা: যে সকল ক্ষেত্রে আধুনিক বিজ্ঞান রোগের কারণ খুঁজে পায় না, সেখানেও হোমিওপ্যাথি রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ (Symptoms) বিশ্লেষণ ও কেস-টেকিংয়ের মাধ্যমে কার্যকর চিকিৎসা দিয়ে রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।
৩. হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি: আধুনিক বিজ্ঞান এখনও হোমিওপ্যাথির ওষুধ কাজ করার সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারেনি মানেই হোমিওপ্যাথি ‘ভুয়া’ বা ‘ফেক সায়েন্স’ নয়। বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের ব্যর্থতার দায় বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, চিকিৎসার নয়। ফলাফল বা রোগীর সুস্থ হওয়াই হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতার প্রমাণ।

09/08/2026

🌿 ভিডিওর মূল বার্তা ও ব্যাখ্যা:
১. অনলাইন ভ্রান্ত ধারণা ও মিসগাইডেন্স: সোশ্যাল মিডিয়ায় (ইউটিউব/ফেসবুক) প্রায়ই দেখা যায় "এই রোগে এই হোমিওপ্যাথি ওষুধ খান" বা ভিত্তিহীন পরামর্শ দেওয়া হয়। এসব দেখে সাধারণ মানুষ ও রোগীরা ভুল পথে চালিত হন এবং ভুল ওষুধ খেয়ে নিজের ক্ষতি ডেকে আনেন।
২. হোমিওপ্যাথি বনাম সার্জারি / সার্জিক্যাল ম্যানেজমেন্ট:
উদাহরণস্বরূপ, গালব্লাডারে যদি অনেকগুলো বড় বড় পাথর (Gallstones) থাকে, তবে সেখানে ওষুধ দিয়ে কোনো কাজ হয় না। সেক্ষেত্রে সার্জারি করে গালব্লাডার অপসারণ করাই একমাত্র সঠিক চিকিৎসা।
একইভাবে হাত-পা বা হাড় ভেঙে গেলে (Fracture) এটি কোনো রোগের মধ্যে পড়ে না; এটি ম্যানেজমেন্টের বিষয় (যেমন- হাড় সোজা করে ফিক্স করা, রেস্ট নেওয়া ও প্রপার কেয়ার)। এটি কোনো বিশেষ চিকিৎসার 'প্যাথি' নয়, এটি ফিজিক্যাল ম্যানেজমেন্ট।
৩. অ্যালোপ্যাথি ও চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা: আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসা অত্যন্ত উন্নত হলেও সব সমস্যার সমাধান শুধু ওষুধ দিয়ে সম্ভব হয় না। সে কারণেই বিভিন্ন পদ্ধতির অস্তিত্ব রয়েছে।
৪. হোমিওপ্যাথি কখন ও কোথায় সবচেয়ে কার্যকরী?
যেসব রোগ শরীর নিজে থেকে নিরাময় বা রিকভার (Self-recovery/healing capacity) করার ক্ষমতা রাখে, মূলত সেসব ক্ষেত্রেই হোমিওপ্যাথি ওষুধ চমৎকার ও স্থায়ী কাজ করে।
মানসিক বা সাইকোলজিক্যাল সমস্যা: মানসিক সমস্যায় অস্ত্রোপচার বা কাটার কোনো সুযোগ নেই। এসব ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি অত্যন্ত সুন্দরভাবে রোগীকে সুস্থ করে তোলে।
আঁচিল (Warts): অ্যালোপ্যাথিতে সাধারণত আঁচিল পুড়িয়ে দেওয়া (Cauterization) হয়। কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে ওষুধের মাধ্যমেই তা সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব।
অ্যাডভান্সড বা ক্রনিক কেস (প্যালিয়েশন): বয়সজনিত তীব্র অস্টিওআর্থ্রাইটিসের (Osteoarthritis) মতো ক্ষেত্রে যেখানে সম্পূর্ণ রিকভারি সম্ভব নয়, সেখানে রোগীর কষ্ট কমাতে আরাম বা প্যালিয়েশন (Palliation) দেওয়া হয়।
💡 উপসংহার: রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। যেখানে সার্জারি দরকার সেখানে সার্জারি করাতে হবে, আর যেখানে ওষুধে সম্ভব সেখানে সঠিক হোমিওপ্যাথিক পরামর্শ নিতে হবে।

03/08/2026

হাসিমারার মথুরা অঞ্চলের বাসিন্দা এই বাবা দীর্ঘদিন ধরে মেয়ের শ্বাসকষ্ট ও মারাত্মক কাশির সমস্যায় ভুগছিলেন। একটু কাশি বাড়লেই ২-৩ দিনের মধ্যে অবস্থা এমন জটিল হতো যে তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভাব (নেবুলাইজেশন) দিতে হতো, দেওয়া হতো কাশির সিরাপ ও নানা ওষুধ। টানা ৩ বছর ধরে এই কষ্টদায়ক পরিস্থিতি চলার পর হাসপাতালমুখী হওয়ার ঝামেলা এড়াতে তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার পথ বেছে নেন।
অনেকেরই ধারণা থাকে যে অলোপ্যাথির চকচকে প্যাকেজিংয়ের ভিড়ে হোমিওপ্যাথি হয়তো তেমন কার্যকর নয় বা ধীরগতির। কিন্তু মে মাসে চিকিৎসা শুরু করে আগস্টের শুরুতেই তিনি লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পান। এখন আর আগের মতো মারাত্মক কাশি হয় না এবং সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—মেয়েকে আর হাসপাতালে নিয়ে ছুটতে হয় না। দীর্ঘদিনের শারীরিক কষ্ট থেকে মুক্ত হয়ে নিজের এই সফল অভিজ্ঞতার কথা তিনি হাসিমুখে শেয়ার করেছেন। ‘’Long live Homeopathy! Long live Hahnemann!"

🌿 সুস্থতার বিশ্বস্ত ঠিকানা — আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হোমিওপ্যাথি 🌿
"রোগ চেপে না রেখে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় মিলুক স্থায়ী সমাধান।"

অনেকেরই ধারণা থাকে যে হোমিওপ্যাথি ধীরগতিতে কাজ করে বা এতে সুফল পেতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু সঠিক পর্যবেক্ষণ ও উপযুক্ত হোমিও ওষুধের মাধ্যমে যে কোনো জটিল ও পুরোনো সমস্যাও দ্রুত এবং নির্মূলভাবে নিরাময় করা সম্ভব—যেমনটি আমাদের সম্মানিত রোগী ভিডিওতে শেয়ার করেছেন।

✨ আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার বিশেষত্ব:
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও নিরাপদ: প্রতিটি ওষুধ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপাদান দিয়ে তৈরি, যা শিশু থেকে শুরু করে সবার জন্য ঝুঁকিমুক্ত।

মূল থেকে নিরাময়: রোগের লক্ষণ চেপে রাখা নয়, বরং রোগের মূল কারণ দূর করে স্থায়ী সুস্থতা নিশ্চিত করা হয়।
সহজ ও আধুনিক সেবা: আপনার রোগ ও শারীরিক গঠন অনুযায়ী ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণপূর্বক সঠিক হোমিও ওষুধ নির্বাচন।

আপনার ও আপনার পরিবারের যে কোনো জটিল, দীর্ঘমেয়াদী বা শারীরিক সমস্যার নিরাপদ সমাধানের জন্য আজই আমাদের চেম্বারে যোগাযোগ করুন।

Dr Hira Ghosh, BHMS (WBUHS, Kolkata)
M - 9851713860



@ Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri , Porajhar Main Road, Siliguri, Jalpaiguri
(Every Tuesday , Thursday & Saturday
6:30pm to 9:30 pm)
M - 9851713860

    @ Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri , Porajhar Main Road, Siliguri, Jalpaiguri(Every Tuesday , Thursday & Sa...
13/07/2026



@ Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri , Porajhar Main Road, Siliguri, Jalpaiguri
(Every Tuesday , Thursday & Saturday
6:30pm to 9:30 pm)
M - 9851713860

06/07/2026

@ Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri , Porajhar Main Road, Siliguri, Jalpaiguri
(Every Tuesday , Thursday & Saturday
6:30pm to 9:30 pm)
M - 9851713860

20/06/2026

ডাক্তার দেখানোর আগে ডাক্তারের যোগ্যতা যাচাই করা খুব জরুরী

@ Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri , Porajhar Main Road, Siliguri, Jalpaiguri
(Every Tuesday , Thursday & Saturday
6:30pm to 9:30 pm)
M - 9851713860

Address

Porajhar, Utsodhara
Siliguri
734015

Opening Hours

Tuesday 6pm - 9pm
Thursday 6pm - 9pm
Saturday 6pm - 9pm

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Hira’s Homoeo Clinic Porajhar-Siliguri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share