Parenting & Mental Health

Parenting & Mental Health Ed. (Child Development), USA

সচেতন প‍্যারেন্টিং এবং সুন্দর মানসিক স্বাস্থ‍্যই পারে একটি সুস্থ সমাজ উপহার দিতে। মা-বাবা ও সন্তানের মনের খবর নিতে এবং সহজ সমাধানে পাশে আছি আমরা।
এইচ বি রিতা-B.A., M.S.

আপনার টিনএইজ সন্তান কী হঠাৎ মেজাজ দেখাচ্ছে?টিনএইজ—এই শব্দটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঝড়, পরিবর্তন, আর অস্থিরতার গল্প। এই বয়সে ...
06/02/2026

আপনার টিনএইজ সন্তান কী হঠাৎ মেজাজ দেখাচ্ছে?

টিনএইজ—এই শব্দটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ঝড়, পরিবর্তন, আর অস্থিরতার গল্প। এই বয়সে আপনার শান্ত, বাধ্য সন্তান হঠাৎই হয়ে উঠতে পারে রাগী, তর্কপ্রবণ, কিংবা অপ্রত্যাশিত আচরণের অধিকারী। অনেক প্যারেন্ট তখন হতাশ হয়ে বলেন, “এটা কি আমার সেই বাচ্চা?”

👈🏽আসলে হ্যাঁ—এই পরিবর্তনটাই স্বাভাবিক।

টিনএইজ—এই সময়টা শুধু বয়সের পরিবর্তন নয়, এটি একসাথে শারীরিক, মানসিক এবং জৈবিক এক বিশাল রূপান্তরের সময়। তাই আপনার সন্তান যখন হঠাৎ করে মেজাজ দেখায়, তর্ক করে বা অকারণে রেগে যায়—এটা শুধু আচরণগত সমস্যা নয়, এর পেছনে আছে গভীর জৈবিক কারণও।
কিশোর বয়সে মস্তিষ্কের যে অংশটি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে (emotional regulation), তা তখনও পুরোপুরি পরিপক্ব হয় না। অন্যদিকে স্বাধীনতার চাহিদা, নিজের পরিচয় খোঁজার চেষ্টা, এবং সামাজিক চাপ—সব মিলিয়ে তাদের ভেতরে তৈরি হয় এক অদ্ভুত টানাপোড়েন। ফলে ছোট ছোট বিষয়েও তারা মেজাজ দেখাতে পারে।
এই বয়সে শরীরে হরমোনের (যেমন টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন) দ্রুত পরিবর্তন ঘটে। এই হরমোনগুলো শুধু শারীরিক পরিবর্তনই ঘটায় না, এগুলো আবেগ, উত্তেজনা, এবং প্রতিক্রিয়ার তীব্রতাকেও প্রভাবিত করে। ফলে ছোট একটি ঘটনাও তাদের কাছে বড় মনে হতে পারে, আর প্রতিক্রিয়াও হতে পারে অনেক বেশি তীব্র।

এর সঙ্গে যুক্ত হয় মস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আবেগ অনুভব করার অংশ (amygdala) এই সময়ে খুব সক্রিয় থাকে, কিন্তু যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের অংশ এখনও পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। ফলে তারা অনেক সময় “বেশি অনুভব করে, কিন্তু কম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।”

তাই আপনার সন্তানের হঠাৎ রাগ, বিরক্তি বা দূরত্ব তৈরি করা—এসবই আসলে তার ভেতরের পরিবর্তনের বহিঃপ্রকাশ।

👈🏽তাহলে আপনি কী করবেন?

*প্রথমত, ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না।
ওদের আচরণ অনেক সময় আপনাকে লক্ষ্য করে নয়, বরং তাদের নিজের ভেতরের অস্থিরতার প্রতিফলন।

*দ্বিতীয়ত, সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে সময় দিন। আপনি শান্ত থাকলে পরিস্থিতিও দ্রুত শান্ত হয়। কখনও কখনও “আমরা একটু পরে কথা বলব” বলাটাই সবচেয়ে কার্যকর।

*তৃতীয়ত, শুনুন—বোঝার জন্য।
ওরা হয়তো সবসময় সঠিকভাবে নিজেদের প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু তারা চায় কেউ তাদের অনুভূতিটা গুরুত্ব দিক।

*চতুর্থত, সীমারেখা ঠিক রাখুন। সহানুভূতি দেখানো মানে সবকিছু মেনে নেওয়া নয়। সম্মানজনক আচরণ শেখানো এখনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে, মনে রাখুন—এই সময়টা কেটে যাবে।

আজকের এই মেজাজী, অস্থির কিশোরই ধীরে ধীরে নিজের আবেগ বুঝতে শিখবে, নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবে।
আর সেই যাত্রায় আপনার ধৈর্য, বোঝাপড়া আর ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে থাকবে।

゚ #পারিবারিকবন্ধন

❝একই গল্প কতবার শুনব?❞ — বয়স্করা যখন একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন!ছোটবেলায় আমরা যখন আধো-আধো বোলে একই প্রশ্ন বারবার করতাম, আ...
05/22/2026

❝একই গল্প কতবার শুনব?❞ — বয়স্করা যখন একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন!

ছোটবেলায় আমরা যখন আধো-আধো বোলে একই প্রশ্ন বারবার করতাম, আমাদের বাবা-মা বা গুরুজনেরা কিন্তু হেসেই উড়িয়ে দিতেন। পরম মমতায় হাজারবার উত্তর দিতেন।
অথবা, যখন আমাদের বয়স বাড়ে, আর আমাদের ঘরের প্রবীণ সদস্যটি (বাবা, মা, দাদা-দাদি বা নানা-নানি) একই ঘটনার কথা দিনে দশবার বলেন- তখন কি আমরা ঠিক ততটাই ধৈর্য ধরে রাখতে পারি? সত্যি করে বলুন তো, মাঝে মাঝে কি আমরা বিরক্ত হয়ে উঠি না?

মানুষ হিসেবে ব্যস্ততা বা ক্লান্তির কারণে আমাদের একটু অধৈর্য লাগা স্বাভাবিক। কিন্তু একটু গভীরভাবে ভাবলে এই পুনরাবৃত্তির পেছনে কিছু আবেগীয় ও শারীরিক কারণ লুকিয়ে থাকে।

🧠 তারা কেন একই কথা বারবার বলেন?

👈🏽স্মৃতির স্বাভাবিক ক্ষয়: বয়সের সাথে সাথে মানুষের মস্তিষ্কের শর্ট-টার্ম মেমোরি বা সাম্প্রতিক স্মৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাঁরা যে কথাটি মাত্র পাঁচ মিনিট আগে বলেছেন, সেটি তাঁদের মস্তিষ্ক ধরে রাখতে পারে না। কিন্তু পুরোনো স্মৃতিগুলো (যেমন তাঁদের যৌবনের গল্প) খুব উজ্জ্বল থাকে।
👈🏽একাকীত্ব ও মনোযোগ পাওয়ার আকুতি: অনেক সময় একাকীত্ব থেকে বাঁচার জন্য তাঁরা একটি চেনা গল্প বা বিষয়ের আশ্রয় নেন, যাতে প্রিয়জনদের সাথে একটু কথা বলা যায়, একটু যোগাযোগ তৈরি করা যায়।
👈🏽নিরাপত্তাহীনতা: একই কথা বারবার বলে তাঁরা আসলে নিশ্চিত হতে চান যে আপনি তাঁদের শুনছেন এবং তাঁরা এখনো আপনার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

💚 বিরক্ত না হয়ে যেভাবে সামাল দেবেন:

১. তাঁদের ভালোবাসার ঋণটি মনে করুন: মনে মনে ভাবুন, আজ আমি যেভাবে বিরক্ত হচ্ছি, আমার শৈশবে আমার হাজারটা অবান্তর প্রশ্নে তাঁরা কিন্তু এভাবে মুখ ফিরিয়ে নেননি। এই একটুখানি উপলব্ধি আপনার ভেতরের বিরক্তিকে নিমেষেই শান্ত করে দেবে।

২. কথার মোড় ঘুরিয়ে দিন: যদি একই গল্প শুনতে শুনতে আপনার খুব ক্লান্ত লাগে, তবে বিরক্ত না হয়ে আলতো করে অন্য একটি পুরোনো প্রসেঙ্গ যান। যেমন: "আচ্ছা মা, তুমি যে সেবার নানার বাড়ি গিয়েছিলে, তারপর কী হলো?" এতে তাঁরা নতুন আরেকটি স্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ পাবেন।

৩. চোখে চোখ রেখে শুনুন: তাঁরা যখন কথা বলছেন, অন্য কাজে ব্যস্ত না থেকে মাত্র ২ মিনিটের জন্য তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে একটু হাসুন বা মাথা নাড়ুন। আপনার এই সামান্য মনোযোগ তাঁদের মনে এক অদ্ভুত শান্তি ও নিরাপত্তার জন্ম দেয়।

💡 মানসিক স্বাস্থ্য বার্তা: বার্ধক্য হলো শৈশবেরই এক অন্য রূপ। শিশুরা যেমন ভবিষ্যতের দিকে তাকায়, বয়স্করা তেমনি অতীতের স্মৃতি হাতড়ে বেঁচে থাকেন। তাঁদের স্মৃতি ধুয়ে-মুছে যাওয়ার আগেই, আসুন তাঁদের গল্পগুলো একটু মন দিয়ে শুনি। আজ আমরা তাঁদের যেভাবে আগলে রাখব, আমাদের সন্তানেরাও কিন্তু আমাদের ঠিক সেভাবেই দেখবে।

আপনার ঘরের প্রবীণ সদস্যটি কোন গল্পটি সবচেয়ে বেশিবার শোনান, যা শুনতে আপনার এখন আর মোটেও খারাপ লাগে না? কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন! 👇

゚ #পারিবারিকবন্ধন

শিশুরা বার বার প্রশ্ন করলে আপনি কি বিরক্ত হন?❝মা, আকাশ নীল কেন?❞ ❝বাবা, পিঁপড়েরা কথা বলে না কেন?❞ ❝ওটা কী? এটা কেন?❞দিনশ...
05/22/2026

শিশুরা বার বার প্রশ্ন করলে আপনি কি বিরক্ত হন?

❝মা, আকাশ নীল কেন?❞
❝বাবা, পিঁপড়েরা কথা বলে না কেন?❞
❝ওটা কী? এটা কেন?❞

দিনশেষে যখন আপনার শরীরের এনার্জি লেভেল একদম শূন্যের কোঠায়, ঠিক তখনই হয়তো আপনার ছোট্ট সোনামণি একের পর এক প্রশ্নের তীর ছুড়তে শুরু করল!
মাঝে মাঝে কি আমাদের একটু বিরক্ত লাগে না? সত্যি করে বলুন তো! একদম সত্যি বলতে গেলে-হ্যাঁ, মানুষ হিসেবে আমাদের ক্লান্তি বা বিরক্তি আসতেই পারে। এটা খুব স্বাভাবিক।

কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন তো, এই "বিরক্তিকর" প্রশ্নগুলোর পেছনে লুকিয়ে আছে এক চমৎকার সত্য।

💡শিশুরা কেন এত প্রশ্ন করে?

👈🏽তারা পৃথিবীকে আবিষ্কার করছে: বড়দের কাছে যা খুব সাধারণ, একটি শিশুর কাছে তা পরম বিস্ময়। তারা তাদের চারপাশের নতুন পৃথিবীকে বোঝার চেষ্টা করছে।
👈🏽মস্তিষ্কের বিকাশ: প্রশ্ন করার অর্থ হলো শিশুর চিন্তাভাবনা ও বুদ্ধিবৃত্তি চমৎকারভাবে কাজ করছে।
👈🏽আপনার প্রতি ভরসা: শিশু আপনাকে তার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় 'জ্ঞানী' মানুষ মনে করে। সে জানে, তার সব কৌতুহলের সমাধান শুধু আপনার কাছেই আছে।

🛠 বিরক্তি এড়িয়ে যেভাবে সামাল দেবেন:

১. ধৈর্য ধরে শুনুন: আপনার একটুখানি মনোযোগ শিশুর আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয়। সে বোঝে যে তার কথার মূল্য আছে।

২. উত্তর জানা না থাকলে সততা দেখান: সব প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা নাও থাকতে পারে। বানিয়ে ভুল উত্তর না দিয়ে বলুন- "বাহ্! দারুণ প্রশ্ন তো! চলো দুজনে মিলে বইয়ে বা ইন্টারনেটে এর উত্তরটা খুঁজে বের করি।" এতে শিশুর মাঝে অনুসন্ধিৎসু মনোভাব তৈরি হবে।

৩. যদি আপনি খুব ক্লান্ত থাকেন: শিশুকে ধমক না দিয়ে নরম সুরে বলুন- "মা/বাবা, আমি এখন একটু ক্লান্ত। চলো, আমরা রাতের খাবারের পর এই চমৎকার বিষয়টা নিয়ে গল্প করব?" (তবে পরে অবশ্যই কথা রাখুন!)

মনে রাখবেন, আজকের এই "বিরক্তিকর" প্রশ্নগুলোই কিন্তু আগামীদিনের একজন বিজ্ঞানী, লেখক, গবেষক বা একজন দারুণ চিন্তাশীল মানুষ গড়ে তোলার প্রথম ধাপ। তাই শিশুর কৌতুহলকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেবেন না।

আপনার সন্তান দিনে সবচেয়ে অদ্ভুত কী প্রশ্ন করেছে আপনাকে? কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন! 👇

#প্যারেন্টিং_টিপস ゚ ゚ টুকিটাকি Rokeya Dipa

আপনার পরিবারে কি কারও আচরণে কোনো পরিবর্তন লক্ষ করছেন?আমাদের পরিবার হলো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু আমরা কি কখনো খ...
05/21/2026

আপনার পরিবারে কি কারও আচরণে কোনো পরিবর্তন লক্ষ করছেন?

আমাদের পরিবার হলো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু আমরা কি কখনো খেয়াল করেছি—এই আশ্রয়ের ভেতরেই কোনো একজন সদস্য হয়তো এক অদৃশ্য লড়াই লড়ে যাচ্ছেন?
মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশন সবসময় কান্না বা কান্নাকাটি দিয়ে প্রকাশ পায় না। অনেক সময় তা লুকিয়ে থাকে আচরণের সূক্ষ্ম কিছু পরিবর্তনের আড়ালে।

আপনার পরিবারের কোনো সদস্যের মধ্যে কি ইদানীং নিচের পরিবর্তনগুলো দেখছেন?

👈🏽হঠাৎ গুটিয়ে নেওয়া: যে মানুষটি গল্প করতে ভালোবাসতেন, তিনি কি ইদানীং সারাক্ষণ নিজের ঘরে একা থাকছেন? চেনা আড্ডা বা পারিবারিক গেট-টুগেদার এড়িয়ে চলছেন?

👈🏽খিটখিটে মেজাজ বা রাগ: সামান্য কারণেই কি কেউ অতিরিক্ত রেগে যাচ্ছেন বা খিটখিটে আচরণ করছেন? মনে রাখবেন, ভেতরের মানসিক চাপ অনেক সময় রাগ হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।

👈🏽খাওয়া ও ঘুমের অনিয়ম: অতিরিক্ত ঘুমানো কিংবা রাতে একদমই ঘুম না হওয়া, অথবা হুট করে খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেওয়া বা বাড়িয়ে দেওয়া—মানসিক ক্লান্তির বড় লক্ষণ।

👈🏽সবকিছুতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলা: নিজের প্রিয় শখ, কাজ বা পড়াশোনার প্রতি কি হঠাৎ করেই তাঁর তীব্র উদাসীনতা দেখা দিয়েছে?

👈🏽সবসময় ক্লান্ত থাকা: শারীরিক কোনো রোগ ছাড়া সারাক্ষণ "ভালো লাগছে না" বা "শরীরে শক্তি পাচ্ছি না" বলাটাও মনের ক্লান্তির জানান দেয়।

এমন কিছু চোখে পড়লে আপনার করণীয় কী?

👈🏽বিচার করতে যাবেন না: "তুমি এমন করছ কেন?", "তোমার কিসের অভাব?"—এ জাতীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।

👈🏽মন দিয়ে শুনুন: তাঁকে জোর না করে আলতো করে বলুন, "আমি খেয়াল করেছি ইদানীং তোমাকে একটু অন্যমনস্ক লাগছে। কোনো সমস্যা হলে আমাকে বলতে পারো, আমি আছি।"

👈🏽পেশাদারী সাহায্য নিন: যদি দেখেন এই পরিবর্তনগুলো দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে, তবে কোনো দ্বিধা না করে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নিতে তাঁকে উৎসাহিত করুন।

আজই একটু সময় নিয়ে পরিবারের সবার মুখের দিকে তাকান। রাতের খাবারের টেবিলে শুধু 'কেমন আছ' না জিজ্ঞেস করে, মনের খোঁজ নিন। আপনার একটু সচেতনতা হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি মূল্যবান প্রাণ।

゚ #পারিবারিকবন্ধন #মানসিকস্বাস্থ্
Rokeya Dipa Mahbub Shawkot টুকিটাকি Farzana Naz Shampa

আপনার কি হঠাৎ করে মন খারাপ লাগছে?অনেক সময় এমন হয় না? কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই হঠাৎ বুকটা কেমন যেন ভারী হয়ে ওঠে। চেনা চা...
05/21/2026

আপনার কি হঠাৎ করে মন খারাপ লাগছে?

অনেক সময় এমন হয় না? কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই হঠাৎ বুকটা কেমন যেন ভারী হয়ে ওঠে। চেনা চারপাশটা হুট করেই অচেনা আর একাকী লাগে। কোনো কাজে মন বসে না, চেনা গানটাও কেমন যেন বিষণ্ণ শোনায়।
আমরা অনেকেই তখন অপরাধবোধে ভুগি—"সবকিছু তো ঠিকই আছে, তাহলে আমার এমন লাগছে কেন?"

কিন্তু সত্যি বলতে—কারণ ছাড়াও মন খারাপ হতে পারে, আর সেটা একদম স্বাভাবিক। আমাদের মন কোনো রোবট নয় যে সবসময় একই নিয়মে চলবে। কখনো হরমোনের পরিবর্তন, কখনো শরীরের ক্লান্তি, আবার কখনো আমাদের অবচেতনে জমে থাকা পুরনো কোনো ক্লান্তি বা স্ট্রেস হুট করে এভাবে প্রকাশ পায়।

এমন মুহূর্তে নিজেকে জোর করবেন না। এই ছোট্ট টিপসগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেন:

👈🏽অনুভূতিটাকে মেনে নিন: মন খারাপ লাগছে? লাগুক। নিজেকে জোর করে হাসানোর বা 'পজিটিভ' থাকার অভিনয় করার দরকার নেই।

👈🏽ধীরে শ্বাস নিন: বুক ভরে গভীর শ্বাস নিন এবং আস্তে আস্তে ছাড়ুন। এটি আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত করতে সাহায্য করবে।
একটু বিরতি নিন: স্ক্রিন বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে সরুন। এক গ্লাস হালকা গরম জল বা চা খান।

👈🏽প্রকৃতির কাছে যান: জানালার বাইরে তাকান, বারান্দায় একটু দাঁড়ান অথবা ঘরের পোষ্যটির (বিড়াল/কুকুর) মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিন। অবলা প্রাণীদের মায়া অনেক বড় থেরাপির কাজ করে।

মনে রাখবেন, আকাশের মেঘ যেমন চিরস্থায়ী নয়, মনের এই মেঘলা ভাবটাও কেটে যাবে। নিজের প্রতি একটু সদয় হোন। আজকের দিনটা না হয় একটু মন খারাপের মাঝেই কাটুক, ক্ষতি কী?

আপনার মন আজ কেমন আছে? কমেন্টে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা শুনছি। 💚

#মনন #মানসিকস্বাস্থ্

https://www.prothomalony.com/news/17176
05/21/2026

https://www.prothomalony.com/news/17176

সম্প্রতি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী সন্তান ও শ্যালকসহ পরিবারের পাঁচজনকে নৃসংশভাবে হত‍্যা করা হয়েছে। শরীয়তপুর.....

When someone says to you, "You look fat" or "You look so thin..." remember, this is often more than just a comment about...
05/19/2026

When someone says to you, "You look fat" or "You look so thin..." remember, this is often more than just a comment about your body—it’s a tactic to test your self-confidence.

Here’s how you should respond:

👈🏽1. Don't Explain Yourself: When told "You look fat," many of us start defending ourselves: "Actually, I'm taking a lot of medicine," "Ever since my surgery," "I’ve been eating out a lot lately," or "I don't have time to exercise." Don't do this. Giving an explanation gives them a license to interfere in your personal life.

👈🏽2. Don't Justify: If someone says "You look thin," don't respond with, "Yes, I was a bit sick" or "I'm not eating well due to work pressure." This only exposes your vulnerability.

👈🏽3. Use a 'Power Move' or a Confident Response:
• If someone says "You look fat," smile calmly and say: "Actually, I feel very fit and energetic right now. Thanks for checking in!"
• If someone says "You look thin," say directly: "I'm actually doing great, both physically and mentally. Thanks for your concern."

👈🏽Why this works:
By responding this way, you refuse to accept their negative comment. You remain polite but clearly signal that their opinion doesn't affect you. Most importantly, you leave them with no room or 'topic' to continue the discussion.

Remember: Confident communication means refusing to let others control the narrative about you. When someone talks about your body, your reply shouldn't be about your weight—it should be about your confidence.

শারীরিক সীমাবদ্ধতা কি আপনার মানসিক শক্তিকে ভেঙে ফেলছে?আমরা অনেক সময় নিজের রোগ বা শারীরিক সমস্যা নিয়ে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ি ...
05/18/2026

শারীরিক সীমাবদ্ধতা কি আপনার মানসিক শক্তিকে ভেঙে ফেলছে?

আমরা অনেক সময় নিজের রোগ বা শারীরিক সমস্যা নিয়ে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়ি যে, নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের অসীম ক্ষমতার কথা ভুলে যাই। অথচ দিনশেষে আমাদের সবথেকে বড় সহযাত্রী কিন্তু আমরা নিজেই।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা মানুষের শরীরের গতিপথ হয়তো কিছুটা সীমিত করতে পারে, কিন্তু এটি কখনোই কারো মনের অসীম যাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারে না। এই সীমাবদ্ধতা কোনো দুর্বলতা বা অভিশাপ নয়, বরং অনেক সময় এটি এমন এক পরীক্ষা যা মানুষের ভেতরের অদম্য শক্তিকে চিনিয়ে দেয়।

নিক ভয়েচিসের কোনো হাত বা পা নেই। কিন্তু তিনি আজ বিশ্ববিখ্যাত অনুপ্রেরণামূলক বক্তা। তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি হাজারো মানুষকে প্রেরণা দিয়ে থাকে।

স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও মহাবিশ্ববিদ। তিনি বিরল রোগ "অ্যামায়োট্রফিক ল্যাটেরাল স্ক্লেরোসিস" (এএলএস) এ আক্রান্ত ছিলেন। তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং মেধা তাঁকে বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত করে তোলে।

ফ্রিদা কাহলো ছিলেন একজন বিখ্যাত মেক্সিকান চিত্রশিল্পী। তিনি পোলিও রোগে আক্রান্ত ছিলেন। বাস দুর্ঘটনায় তার তলপেটে লোহার হ্যান্ডেল ঢুকে তার পেল্ভিস, কলারবোন, মেরুদন্ড, দুইটি পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে যায়। প্রায় ৩৫টি অপারেশন করা হয় তার শরীরে। জীবনের অনেকটা সময় হুইলচেয়ারে কাটিয়েছেন তিনি। তাঁর শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং প্রতিভা তাঁকে বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত করে তোলে।

তাই আজ সব কাজ আর কোলাহল সরিয়ে রেখে, এক মুহূর্তের জন্য অন্তত নিজের মুখোমুখি হোন। এক কাপ চা নিয়ে ব্যালকনিতে বসে নিজের পিঠটা চাপড়ে দিয়ে বলুন-
"সীমাবদ্ধতা শুধু শরীরে, মনের আকাশে নয়।"

゚ #মানসিক_স্বাস্থ্য Rokeya Dipa Farzana Naz Shampa

আমরা সারাদিন অন্যের উঠোনে বাগান সাজাতে গিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকি যে, নিজের মনের কোণে অযত্নে পড়ে থাকা ছো্ট চারাগাছটি কখন যে ...
05/18/2026

আমরা সারাদিন অন্যের উঠোনে বাগান সাজাতে গিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকি যে, নিজের মনের কোণে অযত্নে পড়ে থাকা ছো্ট চারাগাছটি কখন যে তৃষ্ণায় শুকিয়ে যায়-টেরও পাইনা। দিনশেষে যখন আয়নার সামনে দাঁড়াই, তখন ক্লান্ত মুখটা দেখি, কিন্তু সেই মানুষটাকে একবারও ধন্যবাদ দিই না যে সারাটা দিন এত ঝড়-ঝাপটা সইলো।

দিনশেষে, খুঁজে নিন আপনার ছোট ছোট জয়গুলো। আজ সারা দিনে করা এমন অন্তত একটি কাজ খুঁজে বের করুন যা আপনার মনে প্রশান্তি এনেছে। হতে পারে সেটি কারো সাথে এক চিলতে হাসি বিনিময়, কোনো একটি ছোট দায়িত্ব শেষ করা, কারো কষ্টের কথা মন দিয়ে শোনা, কাউকে মানসিক শক্তি যোগাতে সামান‍্য পরামর্শ দেয়া, ঘরে বয়স্ক কারো যত্ন বা কারো পানির বোতলটি এগিযে দেয়া, পথ চলতে গিয়ে কাউকে রাস্তা পার হতে সাহায‍্য করা, ফেসবুকে কারো পোস্টে একটি ইতিবাচক মন্তব‍্য উপহার দেয়া, কিংবা নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করা।

তারপর নিজেকে ধন‍্যবাদ জানান, নিজের প্রসংশা করুন।

নিজেকে প্রশংসা করা কোনো আত্মঅহংকার নয়, বরং এটি মানসিক সুস্থতা এবং জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার একটি অপরিহার্য অংশ। পৃথিবী সব সময় আপনার কাজের মূল্যায়ন করবে না। প্রতিকূল সময়ে যখন চারপাশ থেকে সমালোচনা আসে, তখন নিজের প্রতি নিজের এই প্রশংসা বা বিশ্বাসই আপনাকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করে। এটি আপনার ভেতরের 'ইমোশনাল সাপোর্ট সিস্টেম' হিসেবে কাজ করে। নিজেকে প্রশংসা করার মানে এই নয় যে আপনি নির্ভুল। এর মানে হলো-আপনি আপনার সীমাবদ্ধতাটুকু জানেন এবং তা সত্ত্বেও আপনি যে চেষ্টা করছেন, সেই প্রচেষ্টাটুকুকে সম্মান জানানো। এটি আপনাকে অহেতুক হীনম্মন্যতা থেকেও মুক্তি দিবে।

মনে রাখবেন-আপনি যখন নিজের ভেতরে প্রশান্তি খুঁজে পাবেন, তখনই কেবল অন্যের বাগানে সুগন্ধ ছড়াতে পারবেন। তাই অন্যকে ভালোবাসার আগে নিজের চারাগাছে জল দিতে ভুলবেন না।

゚ #মানসিক_স্বাস্থ্য Rokeya Dipa Rita's Life With Cats Mahbub Shawkot Mindspace; Mental health awareness Farzana Naz Shampa টুকিটাকি

আপনার ঘরে বারবার একটি প্ল্যান্ট টবে রাখেন কিন্তু সেটি বারবার মরে যায়। আপনি ভাবছেন, প্ল্যান্টটা ভালো না। মূলত এটা প্ল্যান...
05/17/2026

আপনার ঘরে বারবার একটি প্ল্যান্ট টবে রাখেন কিন্তু সেটি বারবার মরে যায়। আপনি ভাবছেন, প্ল্যান্টটা ভালো না। মূলত এটা প্ল্যান্টের দোষ না, আপনার ঘরের চারপাশের পরিবেশটা এই প্ল্যান্টের যত্ন নেওয়ার জন্য উপযুক্ত না।
‌অনুরূপ, কোনো শিশু বা মানুষ যদি বারবার ব্যর্থ হয়, খিটখিটে হয়ে যায় বা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, আমরা প্রায়ই ভাবি-মানুষটারই সমস্যা।

গাছ বেঁচে থাকার জন্য যেমন আলো, বাতাস ও সঠিক আর্দ্রতা দরকার, তেমনি মানুষের বিকাশের জন্য প্রয়োজন ভালোবাসা, মানসিক নিরাপত্তা এবং একটি সহযোগিতামূলক পরিবেশ।

পরিবেশ যদি প্রতিকূল হয়, তবে যতই দামি বা ভালো গাছ হোক না কেন, তা শুকিয়ে যাবেই। তাই গাছকে দোষ না দিয়ে আমাদের উচিত ঘরের পরিবেশটা বদলে ফেলা—ঠিক যেভাবে একজন মানুষের বিকাশের জন্য তার চারপাশের পারিবারিক পরিবেশকে নিরাপদ ও সুন্দর করা জরুরি।

Address

Roosevelt Avenue
Queens, NY
11354

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Parenting & Mental Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Parenting & Mental Health:

Shortcuts

Share