Dr. Mujahid

Dr. Mujahid To bring a revulation in Health Sector of �

আহা মজা...
19/08/2026

আহা মজা...

19/08/2026
জীবনটাই কাটতেসে চা, এসির বাতাস খাইয়া আর বইয়ের ২/১ টা পেজ উল্টায়ে...
06/08/2026

জীবনটাই কাটতেসে চা, এসির বাতাস খাইয়া আর বইয়ের ২/১ টা পেজ উল্টায়ে...

ভুলে যাওয়া ৮ হাজার বাংলাদেশি যোদ্ধার কথা, ফি*লিস্তিনে হয়ে যু*দ্ধ করে ছিলো সাদা কালো গ্রাফ আর একটি কবরের নামফলক। সঙ্গে জড়...
31/07/2026

ভুলে যাওয়া ৮ হাজার বাংলাদেশি যোদ্ধার কথা, ফি*লিস্তিনে হয়ে যু*দ্ধ করে ছিলো
সাদা কালো গ্রাফ আর একটি কবরের নামফলক। সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক ভুলে যাওয়া ইতিহাসের ভগ্নাবশেষ।

সময়টা ১৯৮০ সাল। কিংবদন্তি নেতা ইয়াসির আরাফাত যখন ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমি গড়ার সংগ্রাম করছেন। নিরুপায় ইয়াসির আরাফাত মুসলিম জাতির কাছে সাহায্যের আহ্বান জানান। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার সংগ্রামে ‘স্বেচ্ছাসেবী’ হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় আট হাজার বাংলাদেশি তরুণ।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম ‘আল আরাবিয়ার’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে অবস্থান নিয়ে স্বাধীন ফি*লিস্তিনের পক্ষে ই*সরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন তারা। এদের কেউ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন । অনেকেই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সাহায্য করেছেন ওই যুদ্ধে। ওই যুদ্ধে মারাও গিয়েছিলেন শতাধিক বাংলাদেশি। এই বীর বাঙালিদের মধ্যে কয়েকজনের কবর রয়েছে লেবাননে। জীবিতদের অনেকেই পরে পাড়ি জমিয়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

সম্প্রতি এমনই এক যোদ্ধার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় ফিলিস্তিনের সংবাদসংস্থা প্যালেস্টাইন নিউজ নেটওয়ার্কে (পিএনএন)। ১৯৮০ সালে লেবাননের সীমান্তে ই*সরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের জকিগঞ্জের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসমাইল চৌধুরী আকরাম। এখন তিনি লেবাননের নাগরিক। কাজ করেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেহরক্ষী হিসেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওই লাইব্রেরিতেই রয়েছে ফিলিস্তিনের জন্য লেবাননে যুদ্ধ করা বাংলাদেশি যোদ্ধাদের একটি দূর্লভ সাদাকালো গ্রুপ ছবি। ১৯৮২ সালে ছবিটি তুলেছিলেন যুক্তরাজ্যের ফটোসাংবাদিক ক্রিস স্টিল পারকিনস। তিনি তখন বৈরুত থেকে মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ লড়ায়ের খবর সরবরাহ করতেন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিবিসির সঙ্গে কথাও বলছিলেন পরকিনস। তিনি জানান ইসরায়েল লেবানন সীমান্তের উত্তরাঞ্চলে যুদ্ধরত একদল বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তাঁর। সশস্ত্র এই দলটির সঙ্গে খুব বেশি কথা বলার সুযোগ না হলেও তাদের একটি ছবি তুলেছিলেন পারকিনস। পরবর্তীতে ওই ছবিই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের একমাত্র আইকনিক ছবি হয়ে থাকে।

24/07/2026

কিছু ভাইকে বলতে শোনা যায়, তার উপার্জনের মধ্যে হালাল-হারাম উভয় প্রকার উপার্জন আছে, কিন্তু সে নিজের ও পরিবারের খাওয়া-দাওয়ার খরচ কেবলমাত্র হালাল উপার্জন থেকে করে আর হারাম টাকা বাসা ভাড়া, পোশাক-পরিচ্ছদ, বাইক বা গাড়ির তেল ও অন্যান্য কাজে ব্যয় করে। এবং এতে সে সন্তুষ্ট। (নাউযু বিল্লাহি মিন যালিক)

তার ধারণা হল, হারাম মাল ভক্ষণ করা অর্থ শুধু হারাম মাল খাওয়া অর্থাৎ খাদ্যদ্রব্য হারাম মাল দ্বারা ক্রয় করা। বাসাভাড়া, বাহন, পরিধেয় বস্ত্র ইত্যাদি যদি হারাম মালের হয় তাতে সমস্যা নেই।

হারাম মাল ভক্ষণ বলতে যে শুধু হারাম-মাল দ্বারা পানাহার বুঝায় না, বরং সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত, একটি প্রসিদ্ধ হাদীস থেকে তা স্পষ্ট বুঝা যায়-

এক ব্যক্তি দীর্ঘ সফর করেছে। চুল উষ্ক খুষ্ক। সে আসমানের দিকে হাত উঠিয়ে হে আমার রব!... হে আমার রব!!... বলে আল্লাহর কাছে দুআ করছে, (মুসাফিরের দুআ আল্লাহ কবুল করেন, সে হিসেবে তার দুআও কবুল হওয়ার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। এর কারণ হিসেবে নবীজী বলেন,) কীভাবে তার দুআ কবুল হবে? অথচ তার খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোশাক হারাম অর্থের...। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১০১৫; জামে তিরমিযী, হাদীস ২৯৮৯; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৮৩৪৮

এ হাদীসে তার দুআ কবুল না হওয়ার একটি কারণ বলা হচ্ছে, ‘তার পোশাক হারাম অর্থের’। এ থেকে বোঝা যায়, হারাম-ভক্ষণ শুধু হারাম মাল দ্বারা পানাহার বুঝায় না, বরং জীবন নির্বাহের সবকিছুকেই অন্তর্ভুক্ত করে। তাছাড়া শরীয়ত শুধু হারাম ভক্ষণকে নিষেধ করেননি বরং হারাম গ্রহণ করা এবং হারাম ব্যবহার করাকেও হারাম করেছে।

সুতরাং জীবন নির্বাহের যে কোনো অনুষঙ্গই হারাম থেকে মুক্ত হতে হবে। এমন নয় যে, পানাহার হবে হালাল মাল দ্বারা আর জীবনের অন্যান্য প্রয়োজন সারা হবে হারাম মাল দ্বারা। এটি চিন্তার একটি মারাত্মক ভুল। দ্বীনী সহীহ ইলমের অভাবে মানুষ হয়ত এমন মনে করে।

আল্লাহ সকলকে হারাম থেকে রক্ষা করুন, হালাল দ্বারা জীবন যাপনের তাওফীক দান করুন। দ্বীনী সহীহ ইলম হাসিল করার তাওফিক দিন। সকল প্রকার চিন্তার ভ্রান্তি থেকে রক্ষা করুন।

20/07/2026

অভিনন্দন স্পেন অভিনন্দন ফিলিস্তিন অভিনন্দন গাজা ||

কাল রাতের খেলাটা দেখার সুযোগ হয়নি। শেষে হাইলাইট দেখেছি। খেলাকে আমি বরাবরই নিছক বিনোদন হিসেবে দেখতে চাই — রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে। কিন্তু এবারের ফিফা বিশ্বকাপ সেই সীমানা রাখেনি। পুরো আসর জুড়ে ক্ষমতার দাপট আর রাজনীতির নোংরা ছায়া স্পষ্ট ছিল। ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে দখলদারদের যে বেহায়া উল্লাস দেখলাম, তাতে খেলার উত্তেজনা কোথায় হারিয়ে গেছে — কানে বেজেছে শুধু মজলুমদের আর্তনাদ।

খেলা শেষে স্পেন যখন ট্রফিটা হাতে তুলল, মনে হলো এটা বিশ্বকাপের ট্রফি নয় — এ যেন গাজার প্রতিটি মানুষের আর্তনাদ আর আনন্দ মিশ্রিত এক আবেগঘন মুহূর্ত। মনে হচ্ছিল স্পেনের ফুটবলাররা ট্রফি নয়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একটা হাত বাড়িয়ে ফিলিস্তিনের পতাকাটাই উঁচিয়ে ধরছে। মনে হচ্ছিল স্পেন খেলেনি — খেলেছে গাজার প্রত্যেক ফিলিস্তিনি, খেলেছে সেই খেলোয়াড়রা যাদের জীবন দিতে হয়েছে দখলদারের আক্রমণে।

কারণ গতকালের সেই মাঠে আসলে একা ছিল না স্পেন। সাথে ছিল ৩৮,০০০-এরও বেশি নিহত ফিলিস্তিনি নারী ও কিশোরী, ১৭,৫০০-এরও বেশি শহীদ শিশু, ৫৬৭ জন প্রাণ হারানো ফুটবলার, আর ২০৯ জন সাংবাদিক — যাদের কলম, ক্যামেরা আর বুট চিরতরে থেমে গেছে দখলদারের গুলি আর বোমায়। মোট ৭৩,০০০-এরও বেশি গাজাবাসীর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই ট্রফি আজ শুধু একটা বিশ্বকাপ নয় — এ যেন প্রতিটি শহীদের রক্তে লেখা এক প্রতিরোধের নাম, এক অবিনশ্বর ঘোষণা যে গাজা হারেনি, হারবে না।

তাই এই বিজয় শুধু স্পেনের নয় — এটা ফিলিস্তিনের, গাজার, লেবাননের, স্বজন হারানো লাখো মজলুমের। প্রতিটি গোলে বেজেছে তাদের নাম, প্রতিটি করতালিতে মিশে ছিল তাদের নিঃশব্দ চিৎকার।

আর যারা প্রতিদিন ধ্বংসস্তূপ আর লাশের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বিজয়োল্লাস করে, তাদের নির্লজ্জতার কোনো শেষ বাঁশি নেই। ইতিহাস এই বেহায়াপনা মনে রাখবে — যেমন মনে রাখবে গাজার প্রতিটি সন্তানের চোখের জল, প্রতিটি মায়ের হাহাকার। এই ছবিটাই আজ ট্রফির চেয়ে বড় সত্য হয়ে উঠেছে, আর সেটা ভোলার সুযোগ নেই।

গাজা মরেনি। গাজা লড়ছে। আর যতদিন একটাও শিশু বেঁচে থাকবে, ততদিন ফিলিস্তিনও বেঁচে থাকবে।
credit: sarowar alom

গায়ে - পায়ে প্যাক কাদা- মাটি না লাগালে এ দেশে সেটা কেমন ফুটবল??
17/07/2026

গায়ে - পায়ে প্যাক কাদা- মাটি না লাগালে এ দেশে সেটা কেমন ফুটবল??

Address

Mirpur
Dhaka

Telephone

+8801673325999

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mujahid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category