Cognitive Cure

Cognitive Cure Delivering excellence in Mental Health Care.

This page is a dedicated platform for Mental Health, run by a professional team under the guidance of Dr Muntasir Khan, a well-known psychiatrist who has a decade of experience in mental health in Bangladesh. "Well known Psychiatrist Dr. Muntasir Khan founder of Cognitive Cure which is a mental health service dedicated to empowering individuals to overcome mental health challenges and lead fulfilling lives. We are commited to give evidence-based therapies and treatments of wide range neuropsychiatric issues designed to enhance emotional well-being, resilience, and personal growth. Services: Treatment: Brain & mental disorder, drug addiction, headache, sexual dysfunction, autism, ADHD, PTSD, OCD, Depression, Anxiety, Panic attack etc. Counseling and Therapy: Cognitive-behavioral therapy (CBT), dialectical behavior therapy (DBT), Marital therapy, IQ testing, Sex therapy, Relaxation and mindfulness therapy etc."

মানসিক রোগ আমাদের জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। একজনের সমস্যার জন্য একটি পরিবার ভোগে।মানসিক সমস্যা থেকে কেউই ইমিউন নয়।যা...
25/08/2026

মানসিক রোগ আমাদের জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।

একজনের সমস্যার জন্য একটি পরিবার ভোগে।

মানসিক সমস্যা থেকে কেউই ইমিউন নয়।

যার ব্রেইন আছে, তারই মানসিক সমস্যা হতে পারে।

মানসিক সমস্যা না লুকিয়ে সাহায্য চাওয়াই স্মার্টনেস।

ডা. মুনতাসির খান
সাইকিয়াট্রিস্ট
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

আসসালামু আলাইকুম

আজ ২৫-০৮-২৬ তাং রোজ (মঙ্গলবার) ফরাজী হাসপাতাল লিঃ ভবন-২ তে যে সকল সম্মানিত কনসালটেন্ট গন চেম্বার করবেন।

09606990000
+880 1905597001
+880 1905597070
+880 1905597050

★গাইনী বিশেষজ্ঞ :

১.অধ্যাপক ডাঃ লায়লা নূর (গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) রাত ৯.০০-১০.৩০ টা।

২.অধ্যাপক ডাঃ কাজী শাহানাজ বেগম (গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সকাল ১০.০০-১২.০০ টা।

৩.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দা নিগার সুলতানা (গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

৪.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ হালিমা সিদ্দিকী (গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সন্ধ্যা ৮.০০-৯.৩০ টা।

৫.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রেশমা আক্তার (গাইনী ও গাইনী টিউমার এবং ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) রাত ৮.৩০-১০.০০ টা।

৬.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ উম্মে হানি মিতা (গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সন্ধ্যা ৭.০০-৮.০০ টা।

৭.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ হাফিজা ফারজানা (গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) বিকাল ৪.৩০-৬.০০ টা।

৮.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ ফাতেমা আক্তার ডলি (গাইনী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) বিকাল ৫.০০-৭.০০ টা।

★ মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ :

১.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ফজলে রাব্বি (মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ) বিকাল ৪.৩০-৭.০০ টা।

★ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ :

১.অধ্যাপক ডাঃ আনিসুর রহমান ভুঁইয়া (মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

২.ডাঃ মোহাম্মদ আলী আশরাফ (মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হরমোন, থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

৩.ডাঃ সানজিদা তাওরিন (মেডিসিন বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৫.০০-৮.০০ টা।

★মেডিসিন ও গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ সুমাইয়া রুম্মান (মেডিসিন ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ) বিকাল ৫.০০-৭.০০টা।

★গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি ও গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ :

১.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এস কে এম নাজমুল হাসান (পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞ) রাত ৯.০০-১০.০০ টা।

★মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ :

১.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আন্জুমান আরা বেগম (মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-০৯.০০ টা।

২.ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মারুফ (মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

৩.ডাঃ রিয়াসাত আজিম বিন আলম (মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) বিকাল ৫.০০-৭.০০টা।

★চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ:

১.অধ্যাপক ডাঃ আহসান উল্লাহ (এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

২.ডাঃ তাবাসসুম নাসরিন (চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ) বিকাল ৩.৩০-৫.৩০ টা।

★শিশু বিশেষজ্ঞ :

১.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ নুরুল ইসলাম শিকদার (শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ) সকাল ১০.৩০-১১.৩০ টা।

২.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম ফজলুল হক (শিশু বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

৩.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোহোসিনা আক্তার (শিশু বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ০৭.০০-০৯.০০ টা।

৪.সহকারী ডাঃ সাবিহা সুলতানা (শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৬.৩০-৮.৩০ টা।

৫.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আরিফুর রহমান (শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

৬.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শারমিন আক্তার লুনা (শিশু, কিশোর ও শিশু কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ) বিকাল ৫.৩০-৭.৩০ টা।

৭.ডাঃ নাজনিন হাবিব (শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ) বিকাল ৫.৩০-৮.০০ টা।

★ইউরোলজি ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ এ কে এম ফজলে রাব্বী খান (ইউরোলজিস্ট ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ) সন্ধ্যা ৬.০০-৮.০০ টা।

★সার্জারি বিশেষজ্ঞ :

১.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ শফিকুল ইসলাম (সার্জারি বিশেষজ্ঞ) দুপুর ২.০০-৫.০০ টা।

২.ডাঃ ফজিলাতুন আক্তার (সার্জারি বিশেষজ্ঞ) রাত ৮.৩০-৯.৩০ টা।

★প্লাস্টিক সার্জন :

১.সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এম এ হামিদ পলাশ (প্লাস্টিক সার্জন) রাত ৮.৩০-১০.০০টা।

★অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ :

১.সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রকিবুল হাসান (অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) বিকাল ৫.০০-৭.০০ টা।

২.ডাঃ আতিকুর রহমান (অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সন্ধ্যা ৫.০০-৭.০০ টা।

৩.ডাঃ হুমায়ুন কবির (অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ টা।

৪.ডাঃ শরীফ উদ্দিন (অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) বিকাল ৪.০০-৬.০০ টা।

★নাক,কান,গলা বিশেষজ্ঞ:

১.ডাঃ জান্নাতুল মাস্তুরা (নাক,কান,গলা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) বিকাল ৫.০০-৭.০০ টা।

২.ডাঃ নূরুল হুদা নাশিদ (নাক,কান,গলা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন) সন্ধ্যা ৬.৩০-৮.৩০ টা।

★হরমোন,ডায়াবেটিস ও থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ ইসমাত রাফেয়া (হরমোন, ডায়াবেটিস ও থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ) রাত ৮.০০-১০.০০টা।

★রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ ইসমত আরা ইসলাম (রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ) বিকেল ৩.০০-৫.০০টা।

★মানসিক রোগ,মাথা ব্যাথা, এ্যাডিকশন ও সেক্স সমস্যা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ মুনতাসির খান (ব্রেইন ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ) বিকাল ৪.০০-৬.০০ টা।

★ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ মামুনুর রশিদ আল মামুন (ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ) ৬.৩০-৮.০০ টা।

★ডায়াটেশিয়ান ও পুষ্টিবিদ:

১.জান্নাতুল ফেরদৌস (ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ বিশেষজ্ঞ) বিকাল ০৩.০০-০৫.০০ টা।

২.বর্নালী মোস্তফা মুনা (ডায়াটেশিয়ান ও পুষ্টিবিদ) সকাল ১০.০০-০২.০০ টা।

★ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ :

১.ডাঃ রিয়াজ মাহমুদ সুমন (ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ) সকাল ০৯.০০-১০.০০ টা।
বিকাল ৪.০০-৬.০০ টা।

২.ডাঃ আমিনুর রহমান (ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ) বিকাল ০৬.০০-১০.০০ টা।

৩.ডাঃ তানিয়া আহমেদ (ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ) সকাল ১০.০০-১.০০ টা।

ধন্যবাদ

ঘুমাতে গেলেই দম বন্ধ লাগে—এটা কি শুধু দুশ্চিন্তা?রাতের নীরবতায় বিছানায় শোয়ার পর হঠাৎ মনে হয়—“শ্বাসটা যেন ঠিকমতো ঢুকছে না...
16/08/2026

ঘুমাতে গেলেই দম বন্ধ লাগে—এটা কি শুধু দুশ্চিন্তা?

রাতের নীরবতায় বিছানায় শোয়ার পর হঠাৎ মনে হয়—
“শ্বাসটা যেন ঠিকমতো ঢুকছে না!”
বারবার গভীর শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা, অস্থিরতা, ঘুমাতে ভয়—কখনো কখনো এটি মস্তিষ্কের Anxiety–Panic Attack-এর প্রকাশ হতে পারে।

তবে একই উপসর্গের পেছনে থাকতে পারে Phobia, Stress-related disorder বা Sleep-related breathing disorder। আবার শারীরিক কারণ হিসেবে Asthma, COPD, Heart Failure কিংবা Obstructive Sleep Apnea-ও বিবেচনা করতে হয়।

তাই “দম বন্ধ লাগছে = Anxiety” —এই সিদ্ধান্তে দ্রুত পৌঁছানো ঠিক নয়।

সঠিক কারণ শনাক্ত করাই সঠিক চিকিৎসার প্রথম ধাপ।

ডা. মুনতাসির খান, সাইকিয়াট্রিস্ট
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400

হঠাৎ মাঝরাতে পাশের মানুষটি কথা বলে উঠল। আপনি প্রশ্ন করলেন—কিন্তু কোনো উত্তর নেই। সকালে জিজ্ঞেস করলে সে হয়তো বলবে, “আমি ত...
12/08/2026

হঠাৎ মাঝরাতে পাশের মানুষটি কথা বলে উঠল। আপনি প্রশ্ন করলেন—কিন্তু কোনো উত্তর নেই। সকালে জিজ্ঞেস করলে সে হয়তো বলবে, “আমি তো কিছুই বলিনি!”

তাহলে ঘুমের মধ্যে মানুষ কথা বলে কেন?

এই ঘটনাকে বলা হয় Sleep Talking বা Somniloquy।

এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক একটি sleep phenomenon—এবং একে সরাসরি মানসিক রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

কারণ ঘুম মানে মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়।

ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়ে মস্তিষ্কের কিছু network-এর কার্যক্রম কমে যায়, আবার কিছু network সক্রিয় থাকে।

স্বপ্ন, স্মৃতি, আবেগ এবং spontaneous neural activity কখনো ভাষা তৈরির network-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেলে ঘুমের মধ্যেই শব্দ বা বাক্য উচ্চারিত হতে পারে।

আর তখন মস্তিষ্কের prefrontal cortex জাগ্রত অবস্থার মতো সক্রিয় থাকে না। তাই ঘুমের মধ্যে কথা হতে পারে অর্ধেক বাক্য, অসংলগ্ন শব্দ কিংবা সম্পূর্ণ অদ্ভুত কোনো কথা।

তবে একটি ভুল ধারণা ভাঙা জরুরি-

ঘুমের মধ্যে বলা কথা মানেই কারও মনের গোপন কথা, যাদুটোনা বা জ্বিন এর আছর নয়। Sleep talking দিয়ে কারও গোপন ইচ্ছা, সত্য বা অবচেতন তথ্য নির্ভরযোগ্যভাবে জানা যায়—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

ঘুমের ঘাটতি, মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুম, জ্বর কিংবা কিছু sleep disorder-এর সঙ্গে এটি বেশি দেখা যেতে পারে। শিশুদের মধ্যেও এটি তুলনামূলকভাবে সাধারণ।

তবে যদি ঘুমের মধ্যে কথা বলার সঙ্গে হাঁটা, প্রচণ্ড চিৎকার, হাত-পা ছোড়া, আঘাত করার চেষ্টা, বারবার দুঃস্বপ্ন, অতিরিক্ত নাক ডাকা/শ্বাস বন্ধ হয়ে আসা অথবা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুমভাব থাকে—তাহলে বিষয়টি শুধু ঘুমের মধ্যে কথা বলা বলে এড়িয়ে না গিয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঘুমের সময় শরীর বিশ্রামে থাকে।
কিন্তু মস্তিষ্কের গল্প থেমে থাকে না।

ডা. মুনতাসির খান, সাইকিয়াট্রিস্ট
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400




#ঘুম #ঘুমেরসমস্যা

চেষ্টা করেও ঘুম আসছে না—কেন?আমাদের শরীরে একটি নিজস্ব biological clock বা circadian rhythm আছে, যা কখন ঘুমাবো, কখন জাগবো ...
09/08/2026

চেষ্টা করেও ঘুম আসছে না—কেন?
আমাদের শরীরে একটি নিজস্ব biological clock বা circadian rhythm আছে, যা কখন ঘুমাবো, কখন জাগবো এবং কখন শরীর সক্রিয় থাকবে—এসব নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রতিদিন অনিয়মিত সময়ে ঘুমানো, ইচ্ছা করে রাত জাগা, গভীর রাতে মোবাইল/ল্যাপটপ ব্যবহার, রাতে অতিরিক্ত আলো, দিনে কম আলোতে থাকা এবং ঘুমের সময় বারবার পরিবর্তন করা এই ঘড়ির স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যহত করতে পারে। ফলে শরীর ক্লান্ত হলেও আমাদের মস্তিষ্ক তখনও জেগে থাকার সময় হিসেবে ধরে রাখতে পারে।

এর সঙ্গে যদি থাকে অতিরিক্ত চিন্তা, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ বা বারবার ঘড়ির দিকে তাকিয়ে “কখন ঘুম আসবে?”—এই চিন্তা, তাহলে ঘুম আরও কঠিন হয়ে যায়। কারণ ঘুমকে জোর করে আনা যায় না। বরং ঘুম নিয়ে অতিরিক্ত চেষ্টা ও উদ্বেগ অনেক সময় অনিদ্রার চক্রকে আরও শক্তিশালী করে।

দীর্ঘস্থায়ী ঘুমের সমস্যার সঙ্গে Insomnia Disorder, Anxiety Disorder, Depression, Bipolar Disorder, PTSD-সহ বিভিন্ন মানসিক সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে। আবার Bipolar disorder-এ ঘুমের প্রয়োজন কমে যাওয়া কখনও ম্যানিয়ার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। তবে ঘুম না হওয়া মানেই মানসিক রোগ আছে—এমন নয়। শারীরিক অসুস্থতা, কিছু ওষুধ, অতিরিক্ত ক্যাফেইন/নিকোটিন, শিফট ডিউটি, ঘুমের পরিবেশ এবং অন্যান্য sleep disorder-ও কারণ হতে পারে।

তাই প্রথম কাজ হলো নিজের ঘুমের সময়কে নিয়মিত করা। প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমানো ও ওঠা, সকালে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলোতে থাকা, দিনের বেলা নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা, সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন ও নিকোটিন কমানো এবং ঘুমের আগে মোবাইল/ল্যাপটপ ও অতিরিক্ত আলো এড়িয়ে চলা উপকারী। ঘুম না এলে বিছানায় দীর্ঘক্ষণ জেগে না থেকে শান্ত কোনো কাজে কিছুক্ষণ সময় দিয়ে ঘুম এলে আবার বিছানায় যাওয়াও কার্যকর হতে পারে।

আর যদি ঘুমের সমস্যা সপ্তাহে কয়েকবার হয়ে ৩ মাস বা তার বেশি সময় ধরে থাকে, অথবা এর কারণে দিনের কাজ, মন-মেজাজ, পড়াশোনা বা কর্মক্ষমতা ব্যাহত হয়, তাহলে কারণটি খুঁজে দেখা জরুরি।

বিশেষ করে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, মন খারাপ, অস্বাভাবিকভাবে বেশি শক্তি বা কম ঘুমের প্রয়োজন, আত্মহানির চিন্তা কিংবা অন্য কোনো মানসিক পরিবর্তন থাকলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঘুমকে শুধু রাতের একটি অভ্যাস হিসেবে নয়—শরীর ও মস্তিষ্কের biological rhythm-এর অংশ হিসেবে দেখুন।

ডা. মুনতাসির খান
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400


বোবায় ধরা—জিনের আক্রমণ, নাকি মস্তিষ্কের একটি সমস্যা?রাতের গভীর ঘুমে হঠাৎ চোখ খুলে গেল, কিন্তু হাত-পা নড়ছে না, কথা বলতে প...
02/08/2026

বোবায় ধরা—জিনের আক্রমণ, নাকি মস্তিষ্কের একটি সমস্যা?

রাতের গভীর ঘুমে হঠাৎ চোখ খুলে গেল, কিন্তু হাত-পা নড়ছে না, কথা বলতে পারছেন না। মনে হচ্ছে কেউ বুকের ওপর চাপ দিয়ে আছে বা আপনাকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। এই অভিজ্ঞতাকেই আমরা সাধারণত "বোবায় ধরা" বলি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম Sleep Paralysis।

বৈজ্ঞানিকভাবে এটি ঘটে REM (Rapid Eye Movement) sleep-এর সময়। এই পর্যায়ে স্বপ্ন দেখার সময় শরীরকে নিরাপদ রাখতে মস্তিষ্ক সাময়িকভাবে পেশিগুলোকে নিষ্ক্রিয় (REM atonia) করে রাখে।

ভেবে দেখেছেন, কি হত যদি যদি পেশিগুলো নিষ্ক্রিয় না হত আর আমি স্বপ্নে মারামারি করছি।

কখনো কখনো মস্তিষ্ক জেগে উঠলেও এই নিষ্ক্রিয়তা কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী থাকে। ফলে মানুষ সব বুঝতে পারলেও নড়াচড়া করতে পারে না।

একই সময়ে স্বপ্নের কিছু অংশ জেগে থাকা মস্তিষ্কের সঙ্গে মিশে যাওয়ায় অনেকের মনে হয় কেউ ঘরে আছে, বুকের ওপর চাপ দিচ্ছে বা ছায়ামূর্তি দেখা যাচ্ছে।
এগুলো বাস্তব নয়; মস্তিষ্কের তৈরি সাময়িক অনুভূতি।

অনিয়মিত ঘুম, রাত জাগা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও Narcolepsy-এর মতো ঘুমের রোগে এর ঝুঁকি বাড়ে।

ইসলামের দৃষ্টিতে, কুরআন বা সহিহ হাদিসে "বোবায় ধরা"কে জিনের আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

তবে ভয়ংকর স্বপ্ন বা অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে রাসূল ﷺ আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে, বাম দিকে হালকা তিনবার ফুঁ দিতে এবং ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি, সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করতে উৎসাহ দিয়েছেন।

একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, তোমরা চিকিৎসা গ্রহণ করো; কারণ আল্লাহ এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার চিকিৎসাও তিনি সৃষ্টি করেননি।"
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৫৫; জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস: ২০৩৮)

অতএব, বোবায় ধরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একটি সাময়িক ও বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যাযোগ্য ঘুমের অবস্থা। বারবার এমন হলে অবশ্যই একজন সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

ডা. মুনতাসির খান, সাইকিয়াট্রিস্ট
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400


শুরুর দিকে মনে হতো, ছেলেটা যেন বদলে গেছে।ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা ২৬ বছরের এক তরুণ। অফিসে সবার আগে আসে,...
26/07/2026

শুরুর দিকে মনে হতো, ছেলেটা যেন বদলে গেছে।

ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা ২৬ বছরের এক তরুণ। অফিসে সবার আগে আসে, সবার শেষে বের হয়। এক রাতে যে কাজ শেষ করতে তিন দিন লাগত, এখন সে এক রাতেই শেষ করে। সহকর্মীরা বলে, "ও তো অসাধারণ! যেন কোনো ক্লান্তিই নেই।"

কিন্তু কেউ জানত না, এই অতিরিক্ত কর্মক্ষমতার পেছনে ছিল ইয়াবা।

শুরুর দিকে ইয়াবা মস্তিষ্কে ডোপামিন ও নরঅ্যাড্রেনালিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। তাই মানুষ নিজেকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী, উদ্যমী ও অদম্য মনে করতে পারে। মনে হয়, ঘুমের দরকার নেই, ক্লান্তি নেই, কাজের গতি আগের চেয়ে অনেক বেশি।

কিন্তু মানুষ কেন বারবার ইয়াবা খেতে বাধ্য হয়?

কারণ, ইয়াবা মস্তিষ্কের Reward Circuit-কে এমনভাবে বদলে দেয় যে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক আনন্দের অনুভূতি কমে যেতে থাকে। পরিবার, বন্ধু, সাফল্য, প্রিয় খাবার কিংবা অবসর—যেগুলো আগে আনন্দ দিত, সেগুলো আর আগের মতো ভালো লাগে না। তখন মস্তিষ্ক আবার সেই কৃত্রিম ডোপামিনের বন্যা চায়। শুধু আনন্দ পাওয়ার জন্য নয়, স্বাভাবিক অনুভব করার জন্যও আবার ইয়াবা নিতে ইচ্ছা করে। এভাবেই শুরু হয় আসক্তির চক্র।

একই সঙ্গে বদলাতে থাকে মস্তিষ্কের Prefrontal Cortex এর কার্যকারিতা, কমতে থাকে বিচারবোধ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।
Hippocampus এর ওপর প্রভাব পড়লে স্মৃতি ও শেখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
Amygdala পরিবর্তনের কারণে বাড়তে পারে উদ্বেগ, রাগ, অকারণ ভয় ও সন্দেহ।
দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে কারও কারও ক্ষেত্রে মাদকজনিত গুরুতর মানসিক রোগ দেখা দিতে পারে।

তাহলে এই কৃত্রিম ডোপামিনের বিকল্প কী?

ইয়াবার মতো কৃত্রিম ডোপামিনের কোনো নিরাপদ বিকল্প নেই। তবে নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, অর্থবহ কাজ, নতুন কিছু শেখা, শখের চর্চা, সামাজিক যোগাযোগ, আধ্যাত্মিক অনুশীলন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন—এসব ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক পুরস্কারব্যবস্থাকে পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। এগুলো তাৎক্ষণিক উত্তেজনা দেয় না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ককে সত্যিকারের সুস্থ করে তোলে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অনেকেই মনে করেন, শুধু ইচ্ছাশক্তি থাকলেই ইয়াবা ছাড়া যায়। বাস্তবে আসক্তি একটি চিকিৎসাযোগ্য মস্তিষ্কের রোগ।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ রোগীর আসক্তির মাত্রা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘুমের সমস্যা, সাইকোসিস বা অন্য মানসিক জটিলতা চিকিৎসা করেন।

আবার হঠাৎ ছেড়ে দিলে দেখা দেয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। মাদক ব্যবহারে রয়েছে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি। সেগুলো চিকিৎসার জন্যও প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা।

ঔষধের পাশাপাশি দরকার হয় কাউন্সেলিং ও মোটিভেশনাল থেরাপি, পুনরায় মাদক গ্রহণের ঝুঁকি বা রিল্যাপ্স প্রতিরোধ এর কৌশল শেখানো এবং পরিবারকে চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা।

এই সমন্বিত চিকিৎসাই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত কার্যকর পদ্ধতি।

মনে রাখবেন—

ইয়াবা মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে না; এটি সাময়িকভাবে মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে প্রতারণা করে।

আজ যে মানুষটি নিজেকে অপ্রতিরোধ্য মনে করছে, কয়েক মাস বা কয়েক বছর পর সেই মানুষটিই নিজের সিদ্ধান্ত, সম্পর্ক, কর্মজীবন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সমস্যা জটিল আকার ধারণ করে।

দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

ডা. মুনতাসির খান
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
০১৬৮৪৩২০৮৫৭

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400


নিউরোসায়েন্সের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সাইকিয়াট্রি: মানসিক রোগ নিয়ে স্টিগমা বা কলঙ্ক দূরীকরণে একটি পদক্ষেপ।মস্তিষ্কের 'হা...
22/07/2026

নিউরোসায়েন্সের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সাইকিয়াট্রি: মানসিক রোগ নিয়ে স্টিগমা বা কলঙ্ক দূরীকরণে একটি পদক্ষেপ।

মস্তিষ্কের 'হার্ডওয়্যার' (স্নায়বিক রোগ) এবং 'সফটওয়্যার' (মানসিক রোগ) এর মধ্যে কৃত্রিম বিভাজন মানসিক রোগের প্রতি কলঙ্ক বাড়িয়ে দেয়।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সমাজ মানসিক অসুস্থতাকে চরিত্র, আত্মা বা ইচ্ছাশক্তির ত্রুটি হিসেবে দেখেছে। এর ফলে একটি ক্ষতিকারক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে।

স্নায়ুবিদ্যা (Neurology): স্ট্রোক বা পারকিনসন রোগকে একটি বৈধ, জৈবিক চিকিৎসা অবস্থা হিসেবে দেখা হয়।

মানসিক রোগ (Psychiatry): বিষণ্ণতা, সিজোফ্রেনিয়া বা উদ্বেগ বা আসক্তি প্রায়শই ভুলভাবে মানসিক দুর্বলতা বা এমন কিছু হিসেবে বাতিল করা হয় যা একজন ব্যক্তি সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারে।

আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করে যে মানসিক রোগ শারীরিক, নিঃসন্দেহে মস্তিষ্কের ব্যাধি।

গঠনগত পরিবর্তন (Structural Alterations): নিউরোইমেজিং দেখায় যে দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতা, PTSD এবং সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের গঠন এবং সার্কিট সংযোগে দৃশ্যমান পার্থক্য রয়েছে।

রাসায়নিক ভারসাম্যহীনতা (Chemical Imbalances): মানসিক লক্ষণগুলি নিউরোট্রান্সমিটার, নিউরোইনফ্ল্যামেশন এবং ব্রেন-ডিরাইভড গ্রোথ ফ্যাক্টরগুলির পরিবর্তনের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।

জেনেটিক প্রোফাইল (Genetic Profiles): জেনেটিক ম্যাপিং দেখায় যে জটিল মানসিক অবস্থা এবং স্নায়বিক বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে ডিএনএ ঝুঁকির মিল রয়েছে।

মানসিক রোগকে অবহেলা করে চিকিৎসা থেকে দূরে থাকার কারণে প্রতিনিয়ত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আমরা আজ দেখতে পাই।

মানসিক রোগ গুলোকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের একটি অপরিহার্য শাখা হিসেবে তুলে ধরা মানসিক রোগ এর প্রতি কলঙ্ক দূর করার একটি কার্যকর উপায়।

ডা. মুনতাসির খান
সাইকিয়াট্রিস্ট
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
01684-320857


টিক ডিসঅর্ডার কি অভিনয় বা বদভ্যাস? আমরা এটাকে অনেক সময় মুদ্রাদোষ বলে থাকি।আপনি কি জানেন? কিছু মানুষ হঠাৎ করে অনিচ্ছাকৃতভ...
17/07/2026

টিক ডিসঅর্ডার কি অভিনয় বা বদভ্যাস? আমরা এটাকে অনেক সময় মুদ্রাদোষ বলে থাকি।

আপনি কি জানেন? কিছু মানুষ হঠাৎ করে অনিচ্ছাকৃতভাবে চোখ পিটপিট করে, কাঁধ ঝাঁকায় বা অদ্ভুত শব্দ করে। একে বলা হয় টিক ডিসঅর্ডার (Tic Disorder)।

ব্যক্তি চাইলেও এটি সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

টিক ডিসঅর্ডার মূলত দুই ধরনের হয়:

মোটর টিক বা শরীরের অনিচ্ছাকৃত নড়াচড়া।
যেমন বারবার চোখ পিটপিট করা, কাঁধ ঝাঁকানো বা মুখ বাঁকানো।

ভোকাল টিক বা অনিচ্ছাকৃত শব্দ করা।
যেমন গলা পরিষ্কার করা, শিস দেওয়া বা বারবার একই শব্দ বলা।

টিক ডিসঅর্ডারের সঠিক কারণ এখনও গবেষণাধীন, তবে প্রধান কারণগুলো হলো:

জেনেটিক্স বা বংশগত প্রভাব

মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন বা ডোপামিন ও সেরোটোনিনের ভারসাম্যহীনতা

পরিবেশ যেমন গর্ভাবস্থায় বা প্রসবকালীন নির্দিষ্ট কিছু জটিলতা।

সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম লক্ষণ দেখা দেয়।

মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের মধ্যে এই সমস্যা ৩-৪ গুণ বেশি দেখা যায়।

অনেক সময় বয়স বৃদ্ধির সাথে চলে যেতে পারে।

টিক ডিসঅর্ডারের সাথে প্রায়ই ADHD (অতি চঞ্চলতা), OCD (শুচিবায়ু), অ্যাংজাইটি (উদ্বেগ) বা অটিজম এর মতো সমস্যা থাকতে পারে।

সহমর্মিতা দেখান।

শিশুকে কখনোই বকাঝকা বা উপহাস নয়। এতে মানসিক চাপ বাড়ে এবং টিক আরও তীব্র হয়।

শিক্ষক ও বন্ধুদের এই বিষয়ে জানতে হবে যেন তারা বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেয়।

যদি টিক দৈনন্দিন কাজে বাধা দেয়, তবে দ্রুত একজন সাইকিয়াট্রিস্ট এর পরামর্শ নিন।

সঠিক চিকিৎসা, থেরাপি এবং সামাজিক সমর্থন এই সমস্যা মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর।

আপনার চারপাশের কারো মধ্যে এমন লক্ষণ দেখলে তাকে উপহাস না করে সহানুভূতি দেখান এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে সহায়তা করুন। আপনার একটু সহমর্মিতা কারো জীবন সহজ করে দিতে পারে।

সচেতনতা বাড়াতে এই তথ্যটি শেয়ার করুন।

ডা. মুনতাসির খান
সাইকিয়াট্রিস্ট

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400

#টিকডিসঅর্ডার #স্বাস্থ্যসচেতনতা #মুদ্রাদোষ #মুনতাসিরখান

হঠাৎ অস্বাভাবিক শারীরিক কাঁপুনি বা খিচুনি, হতে পারেকনভার্সন ডিজঅর্ডার (Functional Neurological Symptom Disorder)হাত বা প...
13/07/2026

হঠাৎ অস্বাভাবিক শারীরিক কাঁপুনি বা খিচুনি, হতে পারে
কনভার্সন ডিজঅর্ডার (Functional Neurological Symptom Disorder)

হাত বা পা অবশ হয়ে যেতে পারে

হাঁটতে সমস্যা হতে পারে

কথা বন্ধ হয়ে যেতে পারে

চোখে দেখতে বা শুনতে অসুবিধা হতে পারে

খিচুনির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে

কিন্তু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মস্তিষ্ক বা স্নায়ুর কোনো গঠনগত রোগ নাও পাওয়া যেতে পারে।

এটি অভিনয় নয়, ইচ্ছাকৃত নয়, কিংবা সবই মনের ভুলও নয়।

সাধারণত কিশোর-কিশোরী বা ১০ থেকে ৩৫ বছর এর মাঝে রোগটি দেখা যায়।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতার সাময়িক পরিবর্তনের কারণে বাস্তব শারীরিক উপসর্গ তৈরি হতে পারে।

মানসিক চাপ, ট্রমা বা আবেগজনিত কারণ অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও, সবার ক্ষেত্রে একই কারণ থাকে না।

মনে রাখুন
উপসর্গ বাস্তব।

আগে বিপজ্জনক শারীরিক রোগ নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

সঠিক রোগ নির্ণয়ের পর অধিকাংশ রোগীর অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব।

ডা. মুনতাসির খান
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা

#চেম্বারঃ কগনিটিভ কিউর
ঠিকানাঃ বাড়ি ৪, রাস্তা ৭, ব্লক এল, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01684-320857
সময়: রাত ৭ টা থেকে ১০ টা, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধ।

#চেম্বারঃ ফরাজি হাসপাতাল (ভবন ২)
ঠিকানা: ব্লক জি, প্লট ৬১, রাস্তা ৪, ঢাকা ১২১৯
যোগাযোগ: 09606990000, 01905597001
সময়: রবি, সোম, মঙ্গল। বিকাল ৪ টা - ৬ টা।

#চেম্বারঃ ইয়ামাগাতা হাসপাতাল
ঠিকানা: মেরাদিয়া বাজার, ইয়ামাগাতা মোড়, বনশ্রী, ঢাকা
যোগাযোগ: 01805991800
সময়: শনি, বুধ (সন্ধ্যা ৬:০০ - ৮:০০ টা)

#চেম্বারঃ ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার, শরীয়তপুর সদর
প্রতি শুক্রবার ১০ টা থেকে ৩ টা
যোগাযোগঃ 01707073568, 01964646400

Address

House 4, Road 7, Block L, South Banasree
Dhaka
1219

Opening Hours

Monday 17:00 - 23:00
Tuesday 17:00 - 23:00
Wednesday 17:00 - 23:00
Saturday 17:00 - 23:00
Sunday 17:00 - 23:00

Telephone

+8801684320857

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cognitive Cure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Cognitive Cure:

Shortcuts

Share